Pages

বৃহস্পতিবার, ২৫ জুলাই, ২০১৩

মজা আর মজা

মজা আর মজা "রাখি"

-হ্যালো….......
-হ্যালো ভাইয়া।..........…আমি রাখি…...............!!!
-ফোন দিয়েই রাখার কি আছে?????? কিছু বলার থাকলে বলুন….......................

-আসলে ভাইয়া আমি রাখি…....................
-ফোন দিয়ে কথা না বলেই
যদি রেখে দিতে চান, তাহলে আর ফোন দেয়ার দরকারটা কি?????
-আসলে ভাইয়া আমি "সাদিয়া জাহান রাখি"..............…
-হায় রাব্বা….............. আগে বলবা তো তুমি যে আমাদের 'রাখি'…!!!!!!!!!!!!

হা হা হা হা হা হা হা হা হা হা হা ......................................!!!!!!!!!!!!!!!!!!

বুধবার, ২৪ জুলাই, ২০১৩

হাদীস No#2

হাদীস No#2

 

আবূ ওয়াকিদ লায়সী (রা) থেকে বর্ণিত, 

একবার রাসূলুল্লাহ (সা) মসজিদে ছিলেন। এমন সময় তিনজন লোক এলেন। তাঁদের দু’জন রাসূলুল্লাহ (সা) এর কাছে এগিয়ে এলেন আর একজন  চলে গেলেন। এ দু’জনের একজন হালকায় খালি স্থান পেয়ে সেখানে বসে পড়লে দ্বিতীয় ব্যক্তি মজলিসের পেছনে বসলেন। আর তৃতীয় ব্যক্তি পিঠটান দিয়ে সরে পড়লেন।


রাসূলুল্লাহ (সা) কথাবার্তা থেকে অবসর হয়ে বললেন:
আমি কি তোমাদের ঐ তিন ব্যক্তি সম্পর্কে খবর দেব? 

এক ব্যক্তি তো আল্লাহর দিকে অগ্রসর হলো।
আল্লাহও তাকে আশ্রয় দিলেন। দ্বিতীয় ব্যক্তি লজ্জা করলো, আর আল্লাহ তা’আলাও তাকে (বঞ্চিত করতে) লজ্জাবোধ করলেন।
তৃতীয় ব্যক্তি মুখ ফিরিয়ে নিলো, কাজেই আল্লাহও তাঁর থেকে ফিরে থাকলেন।


                                                 -(সহীহ বুখারীঃ৪৬০)

হাদীস No#1

হাদীস No#1

হযরত আবু উমামা (রাঃ) বলেন,আমি রাসূলুল্লাহ (সাঃ)কে বলতে শুনেছি,
আমি (রাসূলুল্লাহ) ঘুমিয়ে ছিলাম।
স্বপ্নে দেখলাম আমার নিকট দুই ব্যক্তি আগমন করল।তারা আমার বাহুদ্বয ধরে আমাকে এক দুর্গম পাহাড়ে নিয়ে এল।
তারপর আমাকে বলল, আপনি পাহাড়ের উপর উঠুন। 

আমি বললাম, আমি তো উঠতে পারব না। তারা বলল, আমরা আপনাকে সহজ করে দিব।আমি উপরে উঠলাম।যখন পাহাড়ের সমতলে পৌঁছালাম,হঠাৎ ভয়ঙ্কর আওয়াজ শুনতে পেলাম। আমি(রাসূলুল্লাহ) বললাম, এ সব কিসের আওয়াজ?
তারা বলল,এটা জাহান্নামীদের আর্তনাদ। তারপর তারা আমাকে নিয়ে এগি হঠাৎ কিছু লোক দেখতে পেলাম,
যাদেরকে তাদের পায়ের মাংসপেশী দ্বারা ঝুলিয় এবং তাদের মুখের দুই প্রান্ত ছিড়ে ফেলা হয়েছে এবং ঝরছে। আমি বললাম, এরা কারা? তারা বলল,যারা ইফতারের সময় হওয়ার আগেই রোযা ভেঙ্গে ফেলে।


                                       -সহীহ ইবনে খুযাইমা, হাদীস : ১৯৮৬;

                                         সহীহ ইবনে হিববান, হাদীস : ৭৪৪৮;

                                         সুনানে নাসায়ী কুবরা, হাদীস : ৩২৮৬;

বন্ধুর মনের কিছু কথা @@Mithu(Part-2)

স্রষ্টা মূল্যায়ন করেছেন তাঁর সৃষ্টি জীবদের আর জীব মূল্যায়ন করেছেন জীবের জীবন সৃষ্টির সেরা অহংকার মানুষকে । আজকাল আধুনিক যুগের মানুষ নিজেকে যেভাবে প্রকাশ করে, তার বাইরে যেন তেমন কিছুই নেই । মানুষের ঊর্ধ্বে ধর্ম – যেন ধর্ম নয়, ধর্মের অনেক ঊর্ধ্বে মানুষ চলে এসেছে । ধর্ম ও থাক শিকায় তোলা, জীবন চলমান থাকুক মজাশে ব্যবহার করার জন্য । আজকাল মানুষকে আর অনেকদিন বেঁচে থকার প্রয়োজন হয় না । কারন কি জানেন ? কারন স্রষ্টা সবকিছুই হাতের নাগালে দিয়ে দিয়েছেন । আর যাকে মূল্যায়ন করে আমরা মাথা নত করি তা হয় অদৃশ্য নতবা দৃশ্যমান । অদৃশ্য হলে মনে হয় অনেক শক্তির অধিকারী আর দৃশ্যমান হলে মনে দেখা দেয় নানাবিধ প্রশ্ন?????? ………………………Continue

 আমার দেশ আমার অহংকার, 

তার নাম বাংলাদেশ....................

 

বন্ধুর মনের কিছু কথা @@Mithu(Part-1)

আধুনিক যুগের এ সমাজটা কালক্রমে জেতে বসেছে সেই প্রাচিন কালে । মানুষ যখন সভ্যতা ও মজার সংস্কৃতি অন্বেষণে পাগল ঠিক তখনি এক শ্রেণীর মানুষ চলমান সভ্যতাকে ঠেলে দিল হুমকির মুখে । আদি যুগের শেষ স্তরের যৌবনের উন্মুক্ত পূজারীরা যেভাবে যৌবনের পূজা করেছিলো এখনও তার চেয়ে কম কি ? মানুষ তার যৌবনকে কেন্দ্র করে নিতান্তই যে জল্পনা-কল্পনা করে তার অন্তর্নিহিত তাৎপর্য্য এই যে যৌবনকে টিকিয়ে রাখার জন্য মানুষ অনেক সম্পদ উপার্জন করিবে , আর মজাশে জীবন যাপন করিবার জন্য এই সম্পদ ব্যবহার করিবে । মদ্দাকথা হচ্ছে – স্রষ্টা যদি সৃষ্টির সেরা জীবকে মূল্যায়ন করত প্রচলিত নিয়মের একটু বাইরে , তাহলে মনুষ্য গোষ্টির “মাখলুকাত” এর অর্থ সম্পুর্ণটাই কাজের মধ্যে থেকে যেত ……… Continue. 

কিছু কথা

কিছু বন্ধু জীবনে হঠাৎ করে আসে আবার হঠাৎ করেই হারিয়েও যায় ॥

শুধু দিয়ে যায় না ভুলতে পারা কিছু সময় আর কিছু স্মৃতি ॥

এই ধরনের বন্ধুরা কেন ই বা জীবনে আসে আবার কেন ই

বা চলে যায় জীবন থেকে অনেক দূরে ?????

কেন এরা দিয়ে যায় কখনো মিষ্টি বেদনা,

কখনো বা কিছু অনুশোচনা যা বয়ে বেড়াতে হয় সারাটি জীবন................................!!!!!!!!!!!!!!!!

 আমার দেশ আমার অহংকার, 

তার নাম বাংলাদেশ....................

 

সাধারণ জ্ঞান(2)

► কোন দেশের কাছে সবচেয়ে বেশি পারমাণবিক চুল্লি রয়েছে?................ রাশিয়া।
► ব্রিটেনের ক্রিমিনাল কোর্টে নিযুক্ত প্রথম বাংলাদেশী জজ ................ ব্যারিষ্টার আখলাক চৌধুরী।
► ব্রিটেনের আইনসভার নিন্মকক্ষ ‘হাউস অব কমন্স’ এর প্রথম বাংলাদেশী এমপি.............রুশনারা আলী।
► বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস লিমিটেড ঢাকা-লন্ডন সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করে .....................৬ ফেব্রুয়ারি ২০১০।
► ডলুরা শুল্ক ষ্টেশন অবস্থিত ........................... সুনামগঞ্জ।
► বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম নারী পরিচালক ........................................ অধ্যাপিকা হান্নানা বেগম।
► কোন সেক্টর কমান্ডারের সাংকেতিক নাম ছিল ‘টাইগার লিডার’ ................... মীর শওকত আলী।
► তাইওয়ান কত সালে চীনের কাছে জাতিসংঘের সদস্যপদ হারায়?....................... ১৯৭১ সালে ।

► উত্তাপের ফলে চর্বি ভেঙে কিসে পরিণত হয়? ..............................ফ্যাটি এসিড ও গ্লিসারল।

► উত্তর আমেরিকার আদিম অধিবাসীকে বলা হয় ..................................... রেড ইন্ডিয়ান।

 আমার দেশ আমার অহংকার, 

তার নাম বাংলাদেশ....................

 

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই, ২০১৩

সিয়াম শব্দের তাৎপর্য

                                   সিয়াম শব্দের তাৎপর্য:

অভিধানে সিয়ামের সাধারন অর্থ "বিরতথাকা "৷ আর এ জন্যই কথা বলা থেকে যে বিরত থাকে অর্থাৎ চুপ ও নিস্তব্ধ থাকে তাকে সিয়াম বলা হয় ৷

মহান আল্লাহ মারইয়াম (আ) এর ইতিহাস উল্লেখ করে বলেন,
"(সন্তান ভুমিষ্ট হওয়ার পর)যদি তুমি কাউকে (কোন প্রশ্ন বা কৈফিয়ত করতে) দেখ, তবে তুমি বল আমি দয়াময় আল্লাহর জন্য (কথা বলা থেকে) বিরত থাকার নযর মেনেছি ৷ সুতরাং আজ আমি কিছুতেই কোন মানুষের সাথে কথা বলব না " (সূরা: 19 আয়াত: 26)


বলা বাহুল্য, এখানে সাওম এর অর্থ হল কথা বলা থেকে বিরত থাকা ৷


শরিয়তের পরিভাষায়, সাওম বা সিয়াম এর  অর্থ  হল, ফযর উদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত  পানাহার, স্ত্রী সংঙ্গম ইত্যাদি যাবতীয় রোযা নষ্টকারী কর্ম হতে বিরত থাকার  মাধ্যমে আল্লাহর ইবাদত করা ৷
(আশশারহুল মুমতে: 6/310 পৃষ্টা)


অবশ্যই এই সজ্ঞার অসারতা ও অশ্লিলতা থেকে বিরত থাকাও শামিল রয়েছে ৷


কারন, প্রিয় নবী (সা) বলেছেন,"কেবল পানাহার থেকে বিরত থাকার নামই সিয়াম  নয়,
বরং অসারতা ও অশ্লিলতা থেকে বিরত থাকার নামই হল,আসল সিয়াম ৷

 
সুতরাং যদি তোমাকে কেউ গালাগালি করে অথবা তোমার প্রতি মুর্খতা প্রদর্শন করে,  তাহলে তুমি (তার প্রতিশোধ না নিয়ে) তাকে বল যে আমি রোযা রেখেছি, আমি রোযা রেখেছি ৷"


(হাকেম,মুস্তাদর াক,বায়হাকি, ইবনে খুযাইমা,সহীহ ইবনে হিব্বান, সহিহুল জামেইস সাগীর,আলবানী: 5376)

 
রোযা, আভিধানিক অর্থে সিয়ামের সমার্থকবোধক না হলেও পারিভাষিক  অর্থে ফারসী,উর্দু,হিন ্দি ও
বাংলা ভাষায় সিয়ামের জায়গায় রোযা, শব্দটি ব্যবহার  করা হয় বলেই সাধারন জনসাধারনের  বুঝার
সুবিধার্থে আমিও এই রোযা শব্দটি প্রয়োগ  করলাম ৷ আর এ ব্যবহারে শরিয়তগত  কোন  ক্ষতি নেই।


আমার দেশ আমার অহংকার, 

তার নাম বাংলাদেশ....................

ইসলাম

ইসলাম শান্তি হয়
ইসলামের সুন্দর
ইসলামের সফল
ইসলামের ঐক্য হয়
ইসলামের বিশুদ্ধতা হয়
ইসলামের প্রেম ও সমৃদ্ধি হয়
ইসলাম বিদ্বেষ বা শত্রুতা নয়
ইসলাম দ্বন্দ্ব শত্রুতা নয়
ইসলামের সত্য পরিত্রাণের হয়

ইসলাম ভালবাসেন ... ইসলামের জীবন ... ইসলাম ছড়িয়ে পড়ে ...


আমার দেশ আমার অহংকার, 

তার নাম বাংলাদেশ....................


Islam

Islam is peace
Islam is beautiful
Islam is successful
Islam is unity
Islam is purity
Islam is love and prosperity
Islam is not hatred or adversity
Islam is not rivalry and enmity
Islam is true salvation
Islam means no harm or affliction

Love Islam... Live Islam... Spread Islam...

বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকসমূহ

বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকসমূহচিত্র:Flag of Bangladesh.svg




* পতাকা <<<<<<<<<>>>>>>>>>>>>>><<<<<<>>>>>>> লাল-সবুজ
* প্রতীক <<<<<<>>>>>><<<<<<>>>>>><<<<<<>>>>>>>শাপলা
* সংগীত <<<<<<>>>>>><<<<<<>>>>>><<<<>>>>>>> আমার সোনার বাংলা
* পশু <<<<<<>>>>>><<<<<<>>>>>><<<<<<<>>>>>>> বেঙ্গল টাইগার
* পাখি <<<<<<>>>>>><<<<<<>>>>>><<<<<<<>>>><> দোয়েল
* ফুল <<<<<<>>>>>><<<<<<>>>>>><<<<<<>>>>>>>> সাদা শাপলা
* গাছ <<<<<<>>>>>><<<<<<>>>>>><<<<<<>>>>>>>> আমগাছ 
* ফল <<<<<<>>>>>><<<<<<>>>>>><<<<<<>>>>>>>>>কাঁঠাল
* খেলা <<<<<<>>>>>><<<<<<>>>>>><<<<<<>>>>>>> কাবাডি
* পঞ্জিকা<<<<<<>>>>>><<<<<<>>>>>><<<<<<>>>>> বাংলা বর্ষপঞ্জী
Link:
http://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6#.E0.A6.B8.E0.A6.B0.E0.A6.95.E0.A6.BE.E0.A6.B0.E0.A6.AC.E0.A7.8D.E0.A6.AF.E0.A6.AC.E0.A6.B8.E0.A7.8D.E0.A6.A5.E0.A6.BE

আমার দেশ আমার অহংকার, 

তার নাম বাংলাদেশ....................

রবিবার, ২১ জুলাই, ২০১৩

**বাংলাদেশের সরকারব্যবস্থা**

**বাংলাদেশের সরকারব্যবস্থা **

বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ খ্রিস্টাব্দে প্রণীত হয়। পরবর্তীতে ২০১১ খ্রিস্টাব্দ এর সর্বমোট ১৫টি সংশোধনী আনা হয়েছে। বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশে সংসদীয় গণতন্ত্র ব্যবস্থার সরকার পদ্ধতি প্রচলিত। রাষ্ট্রযন্ত্রের তিনটি শাখা: সংসদ, প্রশাসন এবং বিচার ব্যবস্থা। বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ এক কক্ষবিশিষ্ট। এতে জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত ৩০০ জন সদস্য ছাড়াও মহিলাদের জন্য ৫০টি সংরক্ষিত আসন আছে। প্রতিটি সংসদের নির্ধারিত মেয়াদকাল ৫ বছর। বাংলাদেশের প্রধান দুইটি রাজনৈতিক দল হল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। এছাড়াও, জাতীয় পার্টি এবং জামায়াতে ইসলামী রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। ১৮ বছর বা তারচেয়ে বয়সে বড় সব নাগরিকের ভোটাধিকার রয়েছে।

১৯৯৬ খ্রিস্টাব্দে গৃহীত কেয়ারটেকার বা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থায় সরকারের মেয়াদ শেষে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হয়। এ সময় সরকারী ক্ষমতা নিয়ন্ত্রিত হয় নির্দলীয় নিরপেক্ষ উপদেষ্টামণ্ডলীর মাধ্যমে। সর্বশেষ অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি প্রধান উপদেষ্টা হিসাবে দায়িত্ব পালন করবেন মর্মে সংবিধানে প্রবিধান রয়েছে। সংসদীয় নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত হয়।

২০১১-এ আওয়ামী লীগের উদ্যোগে সংবিধানের ১৫শ সংশোধনীর মাধ্যমে নির্বাচনপূর্ব নিদর্লীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের পদ্ধতি বাতিল করা হয়। রাষ্ট্রপতি এদেশের "রাষ্ট্রপ্রধান"। তাঁর সীমিত ক্ষমতা রয়েছে; কেননা কয়েকটি ক্ষেত্র ব্যতীত প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শের ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত নিতে তিনি সাংবিধানিকভাবে বাধ্য। জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন পাঁচ বছর মেয়াদের জন্য। তবে সংসদ নির্বাচনের সময় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে রাষ্ট্রপতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। রাষ্ট্রযন্ত্রের মূল ক্ষমতার অধিকারী হলেন প্রধানমন্ত্রী, যিনি "সরকার প্রধান" হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। প্রধানমন্ত্রীকে অবশ্যই সংসদ সদস্য হতে হয়। মন্ত্রীসভার মন্ত্রীরা প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক মনোনীত এবং রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত হন।

বাংলাদেশের সরকারী প্রশাসন যন্ত্রের কেন্দ্রবিন্দু হলো বাংলাদেশ সচিবালয়। রাষ্ট্রের বিভিন্ন কার্যাবলী পরিচালনার জন্য বিভিন্ন মন্ত্রণালয় রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক নিযুক্ত মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী বা উপমন্ত্রীরা মন্ত্রণালয়ের কর্মকাণ্ডের নেতৃত্ব দিয়ে থাকেন। ২০০৯ খ্রিস্টাব্দে সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বেশ কয়েকজন উপদেষ্টা নিয়োগ দিয়েছেন। প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের প্রধান নির্বাহীর দায়িত্ব পালন করেন একজন স্থায়ী সচিব। ২০১১ খ্রিস্টাব্দে বাংলাদেশে ৪০টি মন্ত্রণালয় রয়েছে। বড় মন্ত্রণালয়, যেমন অর্থ মন্ত্রণালয়, একাধিক “বিভাগ”-এ বিভক্ত যা কার্যতঃ মন্ত্রণালয় বটে। প্রতিটি জেলা এবং উপজেলায় সরকারী প্রশাসন ব্যবস্থা রয়েছে। এছাড়াও রয়েছে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা। মন্ত্রণালয়ের মূল কাজ নীতিমালা প্রণয়ন যা বিভিন্ন সংযুক্ত বিভাগ, সংস্থা, বোর্ড, কমিশন, একাডেমী প্রভৃতির মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয়ে থাকে। প্রধানমন্ত্রী এবং রাষ্ট্রপতির জন্য পৃথক কার্যালয় রয়েছে। ২০১১-এর হিসাবে দেখা যায়, সরকারি চাকরিতে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীর সংখ্যা ১১ লাখ ৮২ হাজার ৭৬৫। এর বাইরে শূন্যপদ রয়েছে প্রায় দেড় লাখ। কর্মরতদের মধ্যে প্রথম শ্রেণীর সংখ্যা ১ লাখ ১৯ হাজার ৫২২, দ্বিতীয় শ্রেণীর ৭৩ হাজার ৩২১, তৃতীয় শ্রেণীর ৭ লাখ ৫৫ হাজার ৩১১ এবং চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীর সংখ্যা ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬১১ জন।
সুপ্রিম কোর্ট বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত। এর দুটি স্তর রয়েছে যথা হাইকোর্ট ডিভিশন ও আপীলাত ডিভিশন। রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারকদের নিয়োগ দিয়ে থাকেন। দেশের আইন-কানুন অনেকটা প্রচলিত ব্রিটিশ আইনের আদলে প্রণীত; তবে বিবাহ এবং উত্তরাধিকার সংক্রান্ত আইনগুলো ধর্মভিত্তিক। ২০০৮ খ্রিস্টাব্দে বিচার বিভাগকে সম্পূর্ণরূপে প্রশাসন থেকে পৃথক করা হয়েছে।

http://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6#cite_note-amendments-18

And

http://en.wikipedia.org/wiki/Bangladesh



আমার দেশ আমার অহংকার, 

তার নাম বাংলাদেশ....................

 

Study No#1

Study No#1

  • ঢাকায় প্রথম বৈদ্যুতিক বাতি জলে  >>>>>>>>>>>> ৭ ডিসেম্বর ১৯০১ সালে আহসান মঞ্জিলে।

  • এলিট বাহিনী র‍্যাব আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করে  >>>>>>>>>>>> ২৬ মার্চ ২০০৪।

  • বাংলাদেশ বর্ডার গার্ডের সর্বপ্রথম দেয়া নাম  >>>>>>>>>>> রামগড় লোকাল ব্যাটালিয়ন।

  •  বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা  >>>>>>>>>>>>>>>> ১২ নটিক্যাল মাইল।

  • দেশে প্রথম 'রেডিক্যাশ কার্ড' চালু করে  >>>>>>>>>>>>>>>>>> জনতা ব্যাংক।

  • বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্নর >>>>>>>>>>>>>>>>>>> এ এন এম হামিদুল্লাহ।

  • UNESCO সুন্দরবনকে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ ঘোষনা করেছে  >>>>>>>>><<<<<<<<<<

     ৬ ডিসেম্বর ১৯৯৭।


                                              Coming More................................................