আপনারা সবাই জানেনে যে আমি বেশী একটা ভাল লেখতে পারি না তার পরও আমি চেষ্টা করে যাবো। এক দিনে মানুষ বড় হয় না, ধীরে ধীরে বড় হয় এটা বলার এটা কারণ আছে তা হল অনেকেই মেইলে আমাকে বলতেছে যে আমি কেন বল্গ তৈরী বা খুলছি। সেই জন্য এই কথা গুলো বলা। কেউ কিছু মনে নিবেন না Please.................
শুক্রবার, ২২ নভেম্বর, ২০১৩
ফিরে আসা আবার তোমাদের মাঝে
অনেক দিন পরে আবার তোমাদের মাঝে আল্লাহ আমাকে আসার তৌফিক দান করেছেন তার জন্য আল্লাহ কে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
রাজনীতি
আমি রাজনীতি নিয়ে কোন কিছু লেখতে চাচ্ছি না তার পর ও লেখতে মনে চাই
তাই লেখতে বসে পরলাম। আমাদের আজকের এই অব্সার জন্য আমরা নিজেরাই দায়ী, কারণ
আমরা রাজনীতি করি না।আমরা রাজনীতি পছন্দ করি না। আল্লাহ সুবহানাতালা আমাদের সৃষ্টি
করেছেন পতিনিধ্তি করা। আমরা যদি সবাই রাজনীতি করতাম তাহলে আকের এই অবস্থা দেখতে
হতনা। আর ও কতকি দেখতে হবে আল্লাহ ই ভাল জানেন, আল্লাহ তুমি আমাদের দেশকে এবং সারা
বিশ্বির মুসলিম ভাই ও বোন দের হিফাজত করেন, আমিন।।।।।।
শুক্রবার, ২৩ আগস্ট, ২০১৩
বুধবার, ২১ আগস্ট, ২০১৩
জনৈক মহিলার ইসলাম গ্রহণ
জনৈক মহিলার ইসলাম গ্রহণ
হযরত আবু বকর (র.)বর্ণনা করেন, মক্কা থেকে হিযরত করে মদীনা যাওয়ার পথে আমরা একটি গোত্রের বস্তিতে পৌঁছে এক কুটিরে অবতরণ করলাম। তখন সন্ধা হয়ে গিয়েছে। ঐ কুটিরে এক মহিলা অবস্থান করতেন। সন্ধ্যায় তার পুত্র মেষপাল নিয়ে বাড়িতে ফিরে আসল। তার মা তাকে একটি ছুড়ি দিয়ে বললেন- এই ছুরি ও একটি মেষ নিয়ে পথিক মুছাফিরদের নিকট গিয়ে বল, আপনারা এই মেষটি জবাই করে নিজেদের খওয়ার ব্যবস্থা করুন আর আমাদেরকেও দিন। মহিলার পুত্র ছাগীটি নিয়ে তাদের নিকট পৌঁছলে নবীজি (স.) ছুরিটি ফেরত দিয়ে বললেন, দুধ দহনের জন্য পাত্র নিয়ে আস। বলক বলল, ছাগীটি কম বয়সের। এখনও পাঠার পালে আসে নাই। (অর্থাৎ দুধ দেয়ার সম্ভাবনা নেই) নবীজি (স.) বললেন তুমি গিয়ে পাত্র নিয়ে আস। সে গিয়ে পাত্র নিয়ে আসল। নবীজি (স.) ছাগীটির স্তনে হাত বুলিয়ে দিয়ে দুধ দোহাইতে শুরু করলেন। পাত্রটি দুধে পূর্ণ হয়ে গেলে তা বালকের মায়ের জন্য পাঠিয়ে দিলেন। সে তৃপ্তি সহকারে পান করলে নবীজি (স.) পূনরায় দুধ দোহাইলেন অতপর সফরসঙ্গী গণ পান করলেন। সব শেষে নবীজি (স.) পান করলেন। সেখানে কাফেলা দুই রাত অবস্থান করল। কুটির বাসীরা নবীজি (স·) কে “মোবারক, বরকত ও মঙ্গলময়” হিসেবে আখ্যায়িত করলেন।
ঐ মহিলার মেষপালে বরকত হল এবং সেগুলো বেড়ে অনেক হল। পরবর্তিতে মহিলা তার মেষপালসহ পুত্রকে নিয়ে মদীনায় গেলেন। পুত্র হঠাৎ বলে উঠল-মা! ঐ যে মোবারকময় ব্যক্তির সাথী। মহিলা তৎখনাত হযরত ছিদ্দিকে আকবার (রা.) এর নিকট গিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহরবান্দা! আপনার সঙ্গী সেই মাহাপুরুষ কে ছিলেন? হযরত আবু বকর (রা.) বললেন, তিনি আল্লাহর নবী মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ (স.) । মহিলা বললেন, আমাকে তাঁর নিকট নিয়ে যান। আবু বকর (রা.) তাদেরকে নবীজি (স.) এর নিকট নিয়ে গেলেন। তাঁরা নবীজি (স.) কে কিছু পনির ও গ্রাম্য উপহার সামগ্রী হাদিয়া দিলেন এবং সাথে সাথে ইসলাম গ্রহণ করলেন। নবীজিও (স.) তাঁদেরকে দাওয়াত খাওয়ালেন এবং পরিধেয় ইত্যাদি উপহার দিলেন।
(বোখারী শরীফ, খঃ ৫ম,পৃঃ ২১৬, অনুবাদ-হামিদিয়া লাইব্রেরী। বিদায়া ওয়ান নেহায়া-৩/পৃঃ১৯২)
Stay with me facebook
মঙ্গলবার, ১৩ আগস্ট, ২০১৩
[] আয়াতুল কুরসী পাঠের ফযীলত []
[] আয়াতুল কুরসী পাঠের ফযীলত []
আয়াতুল কুরসী ( আরবি ভাষায়: ﺁﻳﺔ ﺍﻟﻜﺮﺳﻲ ) হচ্ছে পবিত্র কোরআন শরীফের দ্বিতীয় সুরা আল বাকারার ২৫৫তম আয়াতটি।
এটি কোরআন শরীফের সবচেয়ে প্রসিদ্ধ আয়াত। এতে সমগ্র মহাবিশ্বের উপর আল্লাহর জোরালো ক্ষমতার কথা বর্ণনা করে।
বাংলা অনুবাদ :
আসমান ও যমীনে যা কিছু রয়েছে, সবই তাঁর। কে আছ এমন, যে সুপারিশ করবে তাঁর কাছে তাঁর অনুমতি ছাড়া?
দৃষ্টির সামনে কিংবা পিছনে যা কিছু রয়েছে সে সবই তিনি জানেন।
তাঁর জ্ঞানসীমা থেকে তারা কোন কিছুকেই পরিবেষ্টিত করতে পারে না, কিন্তু যতটুকু তিনি ইচ্ছা করেন।
তাঁর সিংহাসন সমস্ত আসমান ও যমীনকে পরিবেষ্টিত করে আছে।
আর সেগুলোকে ধারণ করা তাঁর পক্ষে কঠিন নয়। তিনিই সর্বোচ্চ এবং সর্বাপেক্ষা মহান।
হাদীস *আবূ উমামা রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত:
তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল বলেছেন: “যে ব্যক্তি প্রতি ফরয নামায শেষে আয়াতুল কুরসী পড়ে, তার জান্নাতে প্রবেশ করতে মৃত্যু ছাড়া কোন কিছু বাধা হবে না। (সহীহ আল্ জামে :৬৪৬৪)
*হজরত আলী (রা.) বলেন,
"আমি রাসূলুল্লাহকে (সা.) বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরজ সালাতের পর আয়াতুল কুরসি নিয়মিত পড়ে, তার জান্নাত প্রবেশে কেবল মৃত্যুই অন্তরায় হয়ে আছে। যে ব্যক্তি এ আয়াতটি বিছানায় শয়নের সময় পড়বে আল্লাহ তার
ঘরে, প্রতিবেশীর ঘরে এবং আশপাশের সব ঘরে শান্তি বজায় রাখবেন। (সুনানে বাইহাকী )
যে ব্যক্তি উক্ত আয়াত রাতে পাঠ করবে আল্লাহর পক্ষ থেকে তার সাথে একজন রক্ষণা বেক্ষণকারী ফেরেশতা নিযুক্ত থাকবেন এবং সকাল র্পযন্ত শয়তান তার কাছে আসতে পারেনা কারণ, শয়তান ওয়াদা করেছে যে, যে ব্যাক্তি আয়াতুল কুরছি পড়বে আমি তার কাছে যাব না।
শুক্রবার আছরের নামাযের পর নির্জন স্থানে বসে এই আয়াত ৭ বার পাঠ করলে মনে এক আশ্চর্যভাবের উদয়
হয় এ ঔ সময় পাঠকারীর দোয়া কবুল হয়।
*হযরত আবু হুরাইরা থেকে বর্ণিত :
"রাসুল (সা.) বলেছেন: সুরা বাকারায় একটি শ্রেষ্ঠ আয়াত রয়েছে, যে ঘরে আয়াতুল কুরসী পাঠ করা হবে সেখান থেকে শয়তান পালাতে থাকে।
(মুসতাদরাকে হাকিম:২১০৩)
Coming More..............................................
Stay with me facebook
সাধারণ জ্ঞান(3)
আসুন জেনে নিই ফুটবল সম্পর্কে কিছু তথ্য আশা করি সবার ভাল লাগবে .
01 >>>>>ফিফা 1904 সালের 21 মে ফ্রান্সের প্যারিসে জন্ম লাভ করে।
02 >>>>>ফুটবল খেলার জন্ম হয় চীনে।
03 >>>>>ফুটবলের রাজপুএ বলা হয় ম্যারাডোনাকে।
04 >>>>>ফুটবলের উর্বর ভূমি হিসাবে খ্যাত ল্যাটিন আমেরিকা।
05 >>>>>ফুটবলের সম্রাট বলা হয় পেলেকে।
06 >>>>>চেক প্রজাতন্তের প্রাগে অবস্থিত স্টাইভ স্টো়ডিয়ামটি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় স্টোডিয়াম।
07 >>>>>FIFA এর পূর্ণ রুপ (Federation of International Football Association).
08 >>>>>আদর্শ ফুটবলের ওজন 14-16 আউন্স।
09 >>>>>টোটাল ফুটবলের জনক বলা হয় হল্যান্ডের জোহান ঞুইফকে।
10 >>>>>পাবলো বাজোলি বিশ্বের প্রথম মহিলা রেফারী।
Coming More..............................................
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুলাই, ২০১৩
মজা আর মজা
মজা আর মজা "রাখি"
-হ্যালো….......
-হ্যালো ভাইয়া।..........…আমি রাখি…...............!!!
-ফোন দিয়েই রাখার কি আছে?????? কিছু বলার থাকলে বলুন….......................
-আসলে ভাইয়া আমি রাখি…....................
-ফোন দিয়ে কথা না বলেই
যদি রেখে দিতে চান, তাহলে আর ফোন দেয়ার দরকারটা কি?????
-আসলে ভাইয়া আমি "সাদিয়া জাহান রাখি"..............…
-হায় রাব্বা….............. আগে বলবা তো তুমি যে আমাদের 'রাখি'…!!!!!!!!!!!!
হা হা হা হা হা হা হা হা হা হা হা ......................................!!!!!!!!!!!!!!!!!!
বুধবার, ২৪ জুলাই, ২০১৩
হাদীস No#2
হাদীস No#2
আবূ ওয়াকিদ লায়সী (রা) থেকে বর্ণিত,
একবার রাসূলুল্লাহ (সা) মসজিদে ছিলেন। এমন সময় তিনজন লোক এলেন। তাঁদের দু’জন রাসূলুল্লাহ (সা) এর কাছে এগিয়ে এলেন আর একজন চলে গেলেন। এ দু’জনের একজন হালকায় খালি স্থান পেয়ে সেখানে বসে পড়লে দ্বিতীয় ব্যক্তি মজলিসের পেছনে বসলেন। আর তৃতীয় ব্যক্তি পিঠটান দিয়ে সরে পড়লেন।
রাসূলুল্লাহ (সা) কথাবার্তা থেকে অবসর হয়ে বললেন:
আমি কি তোমাদের ঐ তিন ব্যক্তি সম্পর্কে খবর দেব?
এক ব্যক্তি তো আল্লাহর দিকে অগ্রসর হলো।
আল্লাহও তাকে আশ্রয় দিলেন। দ্বিতীয় ব্যক্তি লজ্জা করলো, আর আল্লাহ তা’আলাও তাকে (বঞ্চিত করতে) লজ্জাবোধ করলেন।
তৃতীয় ব্যক্তি মুখ ফিরিয়ে নিলো, কাজেই আল্লাহও তাঁর থেকে ফিরে থাকলেন।
-(সহীহ বুখারীঃ৪৬০)
হাদীস No#1
হাদীস No#1
হযরত আবু উমামা (রাঃ) বলেন,আমি রাসূলুল্লাহ (সাঃ)কে বলতে শুনেছি,
আমি (রাসূলুল্লাহ) ঘুমিয়ে ছিলাম।
স্বপ্নে দেখলাম আমার নিকট দুই ব্যক্তি আগমন করল।তারা আমার বাহুদ্বয ধরে আমাকে এক দুর্গম পাহাড়ে নিয়ে এল।
তারপর আমাকে বলল, আপনি পাহাড়ের উপর উঠুন।
আমি বললাম, আমি তো উঠতে পারব না। তারা বলল, আমরা আপনাকে সহজ করে দিব।আমি উপরে উঠলাম।যখন পাহাড়ের সমতলে পৌঁছালাম,হঠাৎ ভয়ঙ্কর আওয়াজ শুনতে পেলাম। আমি(রাসূলুল্লাহ) বললাম, এ সব কিসের আওয়াজ?
তারা বলল,এটা জাহান্নামীদের আর্তনাদ। তারপর তারা আমাকে নিয়ে এগি হঠাৎ কিছু লোক দেখতে পেলাম,
যাদেরকে তাদের পায়ের মাংসপেশী দ্বারা ঝুলিয় এবং তাদের মুখের দুই প্রান্ত ছিড়ে ফেলা হয়েছে এবং ঝরছে। আমি বললাম, এরা কারা? তারা বলল,যারা ইফতারের সময় হওয়ার আগেই রোযা ভেঙ্গে ফেলে।
-সহীহ ইবনে খুযাইমা, হাদীস : ১৯৮৬;
সহীহ ইবনে হিববান, হাদীস : ৭৪৪৮;
সুনানে নাসায়ী কুবরা, হাদীস : ৩২৮৬;
বন্ধুর মনের কিছু কথা @@Mithu(Part-2)
স্রষ্টা মূল্যায়ন করেছেন তাঁর সৃষ্টি জীবদের আর জীব মূল্যায়ন করেছেন জীবের জীবন সৃষ্টির সেরা অহংকার মানুষকে । আজকাল আধুনিক যুগের মানুষ নিজেকে যেভাবে প্রকাশ করে, তার বাইরে যেন তেমন কিছুই নেই । মানুষের ঊর্ধ্বে ধর্ম – যেন ধর্ম নয়, ধর্মের অনেক ঊর্ধ্বে মানুষ চলে এসেছে । ধর্ম ও থাক শিকায় তোলা, জীবন চলমান থাকুক মজাশে ব্যবহার করার জন্য । আজকাল মানুষকে আর অনেকদিন বেঁচে থকার প্রয়োজন হয় না । কারন কি জানেন ? কারন স্রষ্টা সবকিছুই হাতের নাগালে দিয়ে দিয়েছেন । আর যাকে মূল্যায়ন করে আমরা মাথা নত করি তা হয় অদৃশ্য নতবা দৃশ্যমান । অদৃশ্য হলে মনে হয় অনেক শক্তির অধিকারী আর দৃশ্যমান হলে মনে দেখা দেয় নানাবিধ প্রশ্ন?????? ………………………Continue
আমার দেশ আমার অহংকার,
তার নাম বাংলাদেশ....................
বন্ধুর মনের কিছু কথা @@Mithu(Part-1)
আধুনিক যুগের এ সমাজটা কালক্রমে জেতে বসেছে সেই প্রাচিন কালে । মানুষ যখন সভ্যতা ও মজার সংস্কৃতি অন্বেষণে পাগল ঠিক তখনি এক শ্রেণীর মানুষ চলমান সভ্যতাকে ঠেলে দিল হুমকির মুখে । আদি যুগের শেষ স্তরের যৌবনের উন্মুক্ত পূজারীরা যেভাবে যৌবনের পূজা করেছিলো এখনও তার চেয়ে কম কি ? মানুষ তার যৌবনকে কেন্দ্র করে নিতান্তই যে জল্পনা-কল্পনা করে তার অন্তর্নিহিত তাৎপর্য্য এই যে যৌবনকে টিকিয়ে রাখার জন্য মানুষ অনেক সম্পদ উপার্জন করিবে , আর মজাশে জীবন যাপন করিবার জন্য এই সম্পদ ব্যবহার করিবে । মদ্দাকথা হচ্ছে – স্রষ্টা যদি সৃষ্টির সেরা জীবকে মূল্যায়ন করত প্রচলিত নিয়মের একটু বাইরে , তাহলে মনুষ্য গোষ্টির “মাখলুকাত” এর অর্থ সম্পুর্ণটাই কাজের মধ্যে থেকে যেত ……… Continue.
কিছু কথা
কিছু বন্ধু জীবনে হঠাৎ করে আসে আবার হঠাৎ করেই হারিয়েও যায় ॥
শুধু দিয়ে যায় না ভুলতে পারা কিছু সময় আর কিছু স্মৃতি ॥
এই ধরনের বন্ধুরা কেন ই বা জীবনে আসে আবার কেন ই
বা চলে যায় জীবন থেকে অনেক দূরে ?????
কেন এরা দিয়ে যায় কখনো মিষ্টি বেদনা,
কখনো বা কিছু অনুশোচনা যা বয়ে বেড়াতে হয় সারাটি জীবন................................!!!!!!!!!!!!!!!!
আমার দেশ আমার অহংকার,
তার নাম বাংলাদেশ....................
সাধারণ জ্ঞান(2)
► কোন দেশের কাছে সবচেয়ে বেশি পারমাণবিক চুল্লি রয়েছে?................ রাশিয়া।
► ব্রিটেনের ক্রিমিনাল কোর্টে নিযুক্ত প্রথম বাংলাদেশী জজ ................ ব্যারিষ্টার আখলাক চৌধুরী।
► ব্রিটেনের আইনসভার নিন্মকক্ষ ‘হাউস অব কমন্স’ এর প্রথম বাংলাদেশী এমপি.............রুশনারা আলী।
► বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস লিমিটেড ঢাকা-লন্ডন সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করে .....................৬ ফেব্রুয়ারি ২০১০।
► ডলুরা শুল্ক ষ্টেশন অবস্থিত ........................... সুনামগঞ্জ।
► বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম নারী পরিচালক ........................................ অধ্যাপিকা হান্নানা বেগম।
► কোন সেক্টর কমান্ডারের সাংকেতিক নাম ছিল ‘টাইগার লিডার’ ................... মীর শওকত আলী।
► তাইওয়ান কত সালে চীনের কাছে জাতিসংঘের সদস্যপদ হারায়?....................... ১৯৭১ সালে ।
► উত্তাপের ফলে চর্বি ভেঙে কিসে পরিণত হয়? ..............................ফ্যাটি এসিড ও গ্লিসারল।
► উত্তর আমেরিকার আদিম অধিবাসীকে বলা হয় ..................................... রেড ইন্ডিয়ান।
আমার দেশ আমার অহংকার,
তার নাম বাংলাদেশ....................
মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই, ২০১৩
সিয়াম শব্দের তাৎপর্য
সিয়াম শব্দের তাৎপর্য:
অভিধানে সিয়ামের সাধারন অর্থ "বিরতথাকা "৷ আর এ জন্যই কথা বলা থেকে যে বিরত থাকে অর্থাৎ চুপ ও নিস্তব্ধ থাকে তাকে সিয়াম বলা হয় ৷
মহান আল্লাহ মারইয়াম (আ) এর ইতিহাস উল্লেখ করে বলেন,
"(সন্তান ভুমিষ্ট হওয়ার পর)যদি তুমি কাউকে (কোন প্রশ্ন বা কৈফিয়ত করতে) দেখ, তবে তুমি বল আমি দয়াময় আল্লাহর জন্য (কথা বলা থেকে) বিরত থাকার নযর মেনেছি ৷ সুতরাং আজ আমি কিছুতেই কোন মানুষের সাথে কথা বলব না " (সূরা: 19 আয়াত: 26)
বলা বাহুল্য, এখানে সাওম এর অর্থ হল কথা বলা থেকে বিরত থাকা ৷
শরিয়তের পরিভাষায়, সাওম বা সিয়াম এর অর্থ হল, ফযর উদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার, স্ত্রী সংঙ্গম ইত্যাদি যাবতীয় রোযা নষ্টকারী কর্ম হতে বিরত থাকার মাধ্যমে আল্লাহর ইবাদত করা ৷
(আশশারহুল মুমতে: 6/310 পৃষ্টা)
অবশ্যই এই সজ্ঞার অসারতা ও অশ্লিলতা থেকে বিরত থাকাও শামিল রয়েছে ৷
কারন, প্রিয় নবী (সা) বলেছেন,"কেবল পানাহার থেকে বিরত থাকার নামই সিয়াম নয়,
বরং অসারতা ও অশ্লিলতা থেকে বিরত থাকার নামই হল,আসল সিয়াম ৷
সুতরাং যদি তোমাকে কেউ গালাগালি করে অথবা তোমার প্রতি মুর্খতা প্রদর্শন করে, তাহলে তুমি (তার প্রতিশোধ না নিয়ে) তাকে বল যে আমি রোযা রেখেছি, আমি রোযা রেখেছি ৷"
(হাকেম,মুস্তাদর াক,বায়হাকি, ইবনে খুযাইমা,সহীহ ইবনে হিব্বান, সহিহুল জামেইস সাগীর,আলবানী: 5376)
রোযা, আভিধানিক অর্থে সিয়ামের সমার্থকবোধক না হলেও পারিভাষিক অর্থে ফারসী,উর্দু,হিন ্দি ও
বাংলা ভাষায় সিয়ামের জায়গায় রোযা, শব্দটি ব্যবহার করা হয় বলেই সাধারন জনসাধারনের বুঝার
সুবিধার্থে আমিও এই রোযা শব্দটি প্রয়োগ করলাম ৷ আর এ ব্যবহারে শরিয়তগত কোন ক্ষতি নেই।
অভিধানে সিয়ামের সাধারন অর্থ "বিরতথাকা "৷ আর এ জন্যই কথা বলা থেকে যে বিরত থাকে অর্থাৎ চুপ ও নিস্তব্ধ থাকে তাকে সিয়াম বলা হয় ৷
মহান আল্লাহ মারইয়াম (আ) এর ইতিহাস উল্লেখ করে বলেন,
"(সন্তান ভুমিষ্ট হওয়ার পর)যদি তুমি কাউকে (কোন প্রশ্ন বা কৈফিয়ত করতে) দেখ, তবে তুমি বল আমি দয়াময় আল্লাহর জন্য (কথা বলা থেকে) বিরত থাকার নযর মেনেছি ৷ সুতরাং আজ আমি কিছুতেই কোন মানুষের সাথে কথা বলব না " (সূরা: 19 আয়াত: 26)
বলা বাহুল্য, এখানে সাওম এর অর্থ হল কথা বলা থেকে বিরত থাকা ৷
শরিয়তের পরিভাষায়, সাওম বা সিয়াম এর অর্থ হল, ফযর উদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার, স্ত্রী সংঙ্গম ইত্যাদি যাবতীয় রোযা নষ্টকারী কর্ম হতে বিরত থাকার মাধ্যমে আল্লাহর ইবাদত করা ৷
(আশশারহুল মুমতে: 6/310 পৃষ্টা)
অবশ্যই এই সজ্ঞার অসারতা ও অশ্লিলতা থেকে বিরত থাকাও শামিল রয়েছে ৷
কারন, প্রিয় নবী (সা) বলেছেন,"কেবল পানাহার থেকে বিরত থাকার নামই সিয়াম নয়,
বরং অসারতা ও অশ্লিলতা থেকে বিরত থাকার নামই হল,আসল সিয়াম ৷
সুতরাং যদি তোমাকে কেউ গালাগালি করে অথবা তোমার প্রতি মুর্খতা প্রদর্শন করে, তাহলে তুমি (তার প্রতিশোধ না নিয়ে) তাকে বল যে আমি রোযা রেখেছি, আমি রোযা রেখেছি ৷"
(হাকেম,মুস্তাদর াক,বায়হাকি, ইবনে খুযাইমা,সহীহ ইবনে হিব্বান, সহিহুল জামেইস সাগীর,আলবানী: 5376)
রোযা, আভিধানিক অর্থে সিয়ামের সমার্থকবোধক না হলেও পারিভাষিক অর্থে ফারসী,উর্দু,হিন ্দি ও
বাংলা ভাষায় সিয়ামের জায়গায় রোযা, শব্দটি ব্যবহার করা হয় বলেই সাধারন জনসাধারনের বুঝার
সুবিধার্থে আমিও এই রোযা শব্দটি প্রয়োগ করলাম ৷ আর এ ব্যবহারে শরিয়তগত কোন ক্ষতি নেই।
আমার দেশ আমার অহংকার,
তার নাম বাংলাদেশ....................
ইসলাম
ইসলাম শান্তি হয়
ইসলামের সুন্দর
ইসলামের সফল
ইসলামের ঐক্য হয়
ইসলামের বিশুদ্ধতা হয়
ইসলামের প্রেম ও সমৃদ্ধি হয়
ইসলাম বিদ্বেষ বা শত্রুতা নয়
ইসলাম দ্বন্দ্ব ও শত্রুতা নয়
ইসলামের সত্য পরিত্রাণের হয়
ইসলাম ভালবাসেন ... ইসলামের জীবন ... ইসলাম ছড়িয়ে পড়ে ...
আমার দেশ আমার অহংকার,
তার নাম বাংলাদেশ....................
Islam
Islam is peace
Islam is beautiful
Islam is successful
Islam is unity
Islam is purity
Islam is love and prosperity
Islam is not hatred or adversity
Islam is not rivalry and enmity
Islam is true salvation
Islam means no harm or affliction
Love Islam... Live Islam... Spread Islam...
বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকসমূহ
বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকসমূহ
* পতাকা <<<<<<<<<>>>>>>>>>>>>>><<<<<<>>>>>>> লাল-সবুজ
* প্রতীক <<<<<<>>>>>><<<<<<>>>>>><<<<<<>>>>>>>শাপলা
* সংগীত <<<<<<>>>>>><<<<<<>>>>>><<<<>>>>>>> আমার সোনার বাংলা
* পশু <<<<<<>>>>>><<<<<<>>>>>><<<<<<<>>>>>>> বেঙ্গল টাইগার
* পাখি <<<<<<>>>>>><<<<<<>>>>>><<<<<<<>>>><> দোয়েল
* ফুল <<<<<<>>>>>><<<<<<>>>>>><<<<<<>>>>>>>> সাদা শাপলা
* গাছ <<<<<<>>>>>><<<<<<>>>>>><<<<<<>>>>>>>> আমগাছ
* ফল <<<<<<>>>>>><<<<<<>>>>>><<<<<<>>>>>>>>>কাঁঠাল
* খেলা <<<<<<>>>>>><<<<<<>>>>>><<<<<<>>>>>>> কাবাডি
* পঞ্জিকা<<<<<<>>>>>><<<<<<>>>>>><<<<<<>>>>> বাংলা বর্ষপঞ্জী
Link:
http://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6#.E0.A6.B8.E0.A6.B0.E0.A6.95.E0.A6.BE.E0.A6.B0.E0.A6.AC.E0.A7.8D.E0.A6.AF.E0.A6.AC.E0.A6.B8.E0.A7.8D.E0.A6.A5.E0.A6.BE
আমার দেশ আমার অহংকার,
তার নাম বাংলাদেশ....................
রবিবার, ২১ জুলাই, ২০১৩
**বাংলাদেশের সরকারব্যবস্থা**
**বাংলাদেশের সরকারব্যবস্থা **
বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ খ্রিস্টাব্দে প্রণীত হয়। পরবর্তীতে ২০১১ খ্রিস্টাব্দ এর সর্বমোট ১৫টি সংশোধনী আনা হয়েছে। বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশে সংসদীয় গণতন্ত্র ব্যবস্থার সরকার পদ্ধতি প্রচলিত। রাষ্ট্রযন্ত্রের তিনটি শাখা: সংসদ, প্রশাসন এবং বিচার ব্যবস্থা। বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ এক কক্ষবিশিষ্ট। এতে জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত ৩০০ জন সদস্য ছাড়াও মহিলাদের জন্য ৫০টি সংরক্ষিত আসন আছে। প্রতিটি সংসদের নির্ধারিত মেয়াদকাল ৫ বছর। বাংলাদেশের প্রধান দুইটি রাজনৈতিক দল হল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। এছাড়াও, জাতীয় পার্টি এবং জামায়াতে ইসলামী রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। ১৮ বছর বা তারচেয়ে বয়সে বড় সব নাগরিকের ভোটাধিকার রয়েছে।১৯৯৬ খ্রিস্টাব্দে গৃহীত কেয়ারটেকার বা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থায় সরকারের মেয়াদ শেষে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হয়। এ সময় সরকারী ক্ষমতা নিয়ন্ত্রিত হয় নির্দলীয় নিরপেক্ষ উপদেষ্টামণ্ডলীর মাধ্যমে। সর্বশেষ অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি প্রধান উপদেষ্টা হিসাবে দায়িত্ব পালন করবেন মর্মে সংবিধানে প্রবিধান রয়েছে। সংসদীয় নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত হয়।
২০১১-এ আওয়ামী লীগের উদ্যোগে সংবিধানের ১৫শ সংশোধনীর মাধ্যমে নির্বাচনপূর্ব নিদর্লীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের পদ্ধতি বাতিল করা হয়। রাষ্ট্রপতি এদেশের "রাষ্ট্রপ্রধান"। তাঁর সীমিত ক্ষমতা রয়েছে; কেননা কয়েকটি ক্ষেত্র ব্যতীত প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শের ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত নিতে তিনি সাংবিধানিকভাবে বাধ্য। জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন পাঁচ বছর মেয়াদের জন্য। তবে সংসদ নির্বাচনের সময় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে রাষ্ট্রপতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। রাষ্ট্রযন্ত্রের মূল ক্ষমতার অধিকারী হলেন প্রধানমন্ত্রী, যিনি "সরকার প্রধান" হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। প্রধানমন্ত্রীকে অবশ্যই সংসদ সদস্য হতে হয়। মন্ত্রীসভার মন্ত্রীরা প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক মনোনীত এবং রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত হন।
বাংলাদেশের সরকারী প্রশাসন যন্ত্রের কেন্দ্রবিন্দু হলো বাংলাদেশ সচিবালয়। রাষ্ট্রের বিভিন্ন কার্যাবলী পরিচালনার জন্য বিভিন্ন মন্ত্রণালয় রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক নিযুক্ত মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী বা উপমন্ত্রীরা মন্ত্রণালয়ের কর্মকাণ্ডের নেতৃত্ব দিয়ে থাকেন। ২০০৯ খ্রিস্টাব্দে সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বেশ কয়েকজন উপদেষ্টা নিয়োগ দিয়েছেন। প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের প্রধান নির্বাহীর দায়িত্ব পালন করেন একজন স্থায়ী সচিব। ২০১১ খ্রিস্টাব্দে বাংলাদেশে ৪০টি মন্ত্রণালয় রয়েছে। বড় মন্ত্রণালয়, যেমন অর্থ মন্ত্রণালয়, একাধিক “বিভাগ”-এ বিভক্ত যা কার্যতঃ মন্ত্রণালয় বটে। প্রতিটি জেলা এবং উপজেলায় সরকারী প্রশাসন ব্যবস্থা রয়েছে। এছাড়াও রয়েছে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা। মন্ত্রণালয়ের মূল কাজ নীতিমালা প্রণয়ন যা বিভিন্ন সংযুক্ত বিভাগ, সংস্থা, বোর্ড, কমিশন, একাডেমী প্রভৃতির মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয়ে থাকে। প্রধানমন্ত্রী এবং রাষ্ট্রপতির জন্য পৃথক কার্যালয় রয়েছে। ২০১১-এর হিসাবে দেখা যায়, সরকারি চাকরিতে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীর সংখ্যা ১১ লাখ ৮২ হাজার ৭৬৫। এর বাইরে শূন্যপদ রয়েছে প্রায় দেড় লাখ। কর্মরতদের মধ্যে প্রথম শ্রেণীর সংখ্যা ১ লাখ ১৯ হাজার ৫২২, দ্বিতীয় শ্রেণীর ৭৩ হাজার ৩২১, তৃতীয় শ্রেণীর ৭ লাখ ৫৫ হাজার ৩১১ এবং চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীর সংখ্যা ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬১১ জন।
সুপ্রিম কোর্ট বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত। এর দুটি স্তর রয়েছে যথা হাইকোর্ট ডিভিশন ও আপীলাত ডিভিশন। রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারকদের নিয়োগ দিয়ে থাকেন। দেশের আইন-কানুন অনেকটা প্রচলিত ব্রিটিশ আইনের আদলে প্রণীত; তবে বিবাহ এবং উত্তরাধিকার সংক্রান্ত আইনগুলো ধর্মভিত্তিক। ২০০৮ খ্রিস্টাব্দে বিচার বিভাগকে সম্পূর্ণরূপে প্রশাসন থেকে পৃথক করা হয়েছে।
http://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6#cite_note-amendments-18
And
http://en.wikipedia.org/wiki/Bangladesh
আমার দেশ আমার অহংকার,
তার নাম বাংলাদেশ....................
Study No#1
Study No#1
ঢাকায় প্রথম বৈদ্যুতিক বাতি জলে >>>>>>>>>>>> ৭ ডিসেম্বর ১৯০১ সালে আহসান মঞ্জিলে।
এলিট বাহিনী র্যাব আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করে >>>>>>>>>>>> ২৬ মার্চ ২০০৪।
বাংলাদেশ বর্ডার গার্ডের সর্বপ্রথম দেয়া নাম >>>>>>>>>>> রামগড় লোকাল ব্যাটালিয়ন।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা >>>>>>>>>>>>>>>> ১২ নটিক্যাল মাইল।
দেশে প্রথম 'রেডিক্যাশ কার্ড' চালু করে >>>>>>>>>>>>>>>>>> জনতা ব্যাংক।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্নর >>>>>>>>>>>>>>>>>>> এ এন এম হামিদুল্লাহ।
UNESCO সুন্দরবনকে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ ঘোষনা করেছে >>>>>>>>><<<<<<<<<<
৬ ডিসেম্বর ১৯৯৭।
Coming More................................................
শনিবার, ২০ জুলাই, ২০১৩
About Our country "Bangladesh"
বাংলাদেশ
বাংলাদেশ (সাহায্য·তথ্য) দক্ষিণ এশিয়ার একটি রাষ্ট্র যার আনুষ্ঠানিক নাম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ। ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনাবসানে ভারতীয় উপমহাদেশ বিভক্ত হয়ে পাকিস্তান নামে যে দেশটি সৃষ্টি হয়েছিলো, তার পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ পূর্ব পাকিস্তান শোষণ, বৈষম্য ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ১৯৭১
খ্রিস্টাব্দে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে দারিদ্র্যপীড়িত বাংলাদেশে বিভিন্ন সময় ঘটেছে
দুর্ভিক্ষ ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ; এছাড়াও প্রলম্বিত রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা ও পুনঃপৌনিক সামরিক অভ্যুত্থান এদেশের অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করেছে। ১৯৯১
খ্রিস্টাব্দে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হবার পর থেকে
বাংলাদেশ ধীরে ধীরে অর্থনৈতিক প্রগতি ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে চলেছে।
বাংলাদেশের বর্তমান সীমারেখা নির্ধারিত হয় ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দে ভারত বিভাগের সময়, নবগঠিত দেশ পাকিস্তানের পূর্ব অংশ (পূর্ব পাকিস্তান) হিসেবে। দেশটির উত্তর, পূর্ব ও পশ্চিম সীমানায় ভারত ও দক্ষিণ-পূর্ব সীমানায় মায়ানমার; দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর। উল্লেখযোগ্য, বাংলাদেশ ও ভারতীয় অঙ্গরাজ্য পশ্চিমবঙ্গ একত্রে একটি অবিচ্ছিন্ন বাংলাভাষী অঞ্চল গঠন করে যার ঐতিহাসিক নাম “বঙ্গ” বা “বাংলা”। এর পূর্বাংশ বা পূর্ব বাংলা ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ নামীয় পৃথক একটি আধুনিক জাতিরাষ্ট্র হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্রের উর্বর অববাহিকায় অবস্থিত এই দেশটিতে প্রায় প্রতি বছর মৌসুমী বন্যা হয়; আর ঘূর্ণিঝড়ও খুব সাধারণ ঘটনা। নিম্ন আয়ের এই দেশটির প্রধান সমস্যা পরিব্যাপ্ত দারিদ্র। তবে ২০০৫ খ্রিস্টাব্দের জুলাই মাসে বিশ্বব্যাংকের দেশভিত্তিক তথ্য অনুসারে দেশটি সাক্ষরতা বৃদ্ধি, শিক্ষাক্ষেত্রে লৈঙ্গিক বৈষম্য দূরীকরণ এবং জনসংখ্যা বৃদ্ধি রোধে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। তবে বাংলাদেশে এখনো বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করছে যার মধ্যে রয়েছে পরিব্যাপ্ত রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক দুর্নীতি, বিশ্বায়নের প্রেক্ষাপটে অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সমুদ্রতলের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলশ্রুতিতে তলিয়ে যাবার শঙ্কা।
এদেশে সংসদীয় গণতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থা প্রচলিত। বাংলাদেশ দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা সার্ক ও বিমসটেক-এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। এছাড়া দেশটি জাতিসংঘ, ডব্লিউটিও, ডব্লিউসিও, ওআইসি ও ডি-৮-এর সদস্য।
http://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6
And
http://en.wikipedia.org/wiki/Bangladesh
আমার দেশ আমার অহংকার,
তার নাম বাংলাদেশ....................
হাদীসে কুদসী
“কোন
মুসলমান যখন ‘লা -ইলাহা ইল্লাল্লাহু‘ (আল্লাহ ছাড়া কোন মাবুদ নেই) বলে
তখন বাক্যটি আকাশসমূহ ছেদ করে যায়, এমনকি তা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া
তা’আলার সামনে গিয়ে পৌঁছে।
আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা তখন
বলেন: “স্থির হও”; তখন বাক্যটি বলে, “আমি কি-করে স্থির হব?- যে আমাকে
উচ্চারন করেছে, এখনও তাকে মাফ করা হয়নি!”
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া
তা’আলা তখন বলেন: “আমি তোমাকে এমন লোকের জিহ্বা দিয়ে উচ্চারন করিয়েছি;
উচ্চারনের আগেই যাকে মাফ করে দিয়েছি”
[হাদীসে কুদসী]
শুক্রবার, ১৯ জুলাই, ২০১৩
*****অমর বাণী *******02
*****অমর বাণী *******
করার জন্য এক মহিলা তারকাছে আসলেন।
এসে বললেন, ‘এটা আমার দাবি,
এ পদটা আমার ছেলের প্রাপ্য।"
"কেন?
কোন যোগ্যতায় তুমি এ পদটি চাচ্ছো?" ..............লিংকন বললেন।
" আমার দাদা কেসিংটনে যুদ্ধ করেছেন,
আমার চাচা ব্লাডেনসবার্গ যুদ্ধের মাঠ থেকে
পালিয়ে যাননি, আমার দাদা নিউ অরলিয়ান্সে
যুদ্ধ করেছেন আর আমার স্বামী তো মন্টেরিরি
যুদ্ধে মারাই গেলেন।"
ভদ্রমহিলার কথাগুলো মনোযোগ দিয়ে শুনে লিংকন বললেন, ‘ম্যাডাম, আমার ধারণা আপনার পুরো পরিবার দেশের জন্য অনেক করেছেন।
এবার অন্যদের একটু সুযোগ দিন। আপনার দাদা,চাচা,
স্বামী নিশ্চয়ই চাকরী পাওয়ার জন্য যুদ্ধ করেননি?
Coming more..........................................
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই, ২০১৩
*****অমর বাণী *******01
*****অমর বাণী *******
"তুমি পানির মত হতে চেষ্টা কর, যেকিনা নিজের চলার পথ নিজেই তৈরী করে নেয়।
পাথরের মত হয়োনা, যে নিজে অন্যের পথরোধ করে"........... হযরত আলী (রাঃ)।
"প্রশংসা না করতে পারলে চুপ করে থাকো- অহেতুক কারো নিন্দা করো না" ...........ওয়েলস এর প্রবাদ ।
"টাকার গরমে যে ব্যক্তি অহংকার করে
তার সামনে অহংকার করাই বিনয়"........................ইমাম গাজ্জালী ।
"তোমার যদি কোনো সমালোচক না থাকে,
তবে জেনো, তোমার কোনো সাফল্যও নেই"......................................ম্যালকম ফ্রোবেস ।
"চর্চাই সব থেকে বড় শিক্ষক; কেননা চর্চার মাধ্যমেই আমরা আমাদের সব কিছু আয়ত্ত করতে পারি".................................পাব্লিয়াস সাইরাস।
"আপনার চিন্তাগুলোকে বিশুদ্ধ পানির চেয়েও পরিষ্কার রাখুন। বিন্দু বিন্দু পানি কনা
যেমন সমুদ্র তৈরী করে তেমনি ভাবে আপনার চিন্তাগুলো তৈরী করে আপনার চরিত্রকে,
আপনার বিশ্বাসকে" ............................হযরত আলী (রাঃ)।
"যার বুদ্ধি নেই- তার থেকে কৃতজ্ঞতা আশা করো না"..................................হযরত আলী (রাঃ)।
"প্রথা আমাদের নিকট দোলনার মত হাজির হয় এবং সমাধির মত অপসারিত হয়"................................ডেভিড হিউম ।
"মনে রাখবেন অন্যায় সমালোচনা অনেকক্ষেত্রেই আড়াল করা প্রশংসাই: মনে রাখবেন মরা কুকুরকে কেউ লাথি মারেনা"................................. ডেল কার্নেগী ।
'আমি ভেড়ার নেতৃত্বে সিংহ বাহিনীকে ভয় পাই না, কিন্তু সিংহের অধীনে ভেড়ার পালকে ভয় পাই"............................................... আলেকজান্ডার।
অমর
Last কথা :
*****জীবন একটা পাতা, এক দিন ঝড়ে
যাবে, জীবন একটা প্রদীপ, হঠাৎ নিবে যাবে।
জীবন মানে নতুন চাওয়া নতুন কিছু
পাওয়া, সবার মাঝে আলো জ্বালিয়ে হঠাৎ নিবে
যাওয়া।***************
যাবে, জীবন একটা প্রদীপ, হঠাৎ নিবে যাবে।
জীবন মানে নতুন চাওয়া নতুন কিছু
পাওয়া, সবার মাঝে আলো জ্বালিয়ে হঠাৎ নিবে
যাওয়া।***************
ফান!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
@@@@@@@@@@@@@@@@@@ফান@@@@@@@@@@@@@@@@@@
স্বামী,স্ত্রী প্রচন্ড ঝগড়ার পর, স্ত্রী কাপড় চোপড়সহ ব্যাগ গোছানো শুরু করল।
স্বামীঃ ব্যাগ গোছাও কেন?
স্ত্রীঃ আমি আমার মায়ের কাছে চলে যাচ্ছি।
এরপর স্বামীও ব্যাগ গোছানো শুরু করল।
স্ত্রীঃ তুমি আবার কই যাও!!!
স্বামীঃ আমিও আমার মায়ের কাছে চলে যাচ্ছি।
স্ত্রীঃ তাহলে আমাদের এই ৯ টা বাচ্চাকাচ্চা দেখবে কে???
স্বামীঃ তুমি তোমার মায়ের কাছে যাচ্ছ,
fine,
আমিও আমার মায়ের কাছে যাচ্ছি।
সেই অনুযায়ী বাচ্চাকাচ্চাদেরও তাদের মায়ের কাছেই যাওয়া উচিত!!!!!!!!!!!!!!!!!
শনিবার, ১৩ জুলাই, ২০১৩
কুরআনে বর্ণিত পঁচিশজন নবীর নাম
It 's have our 25 The Prophet's name:
হযরত আদম আ:
হযরত নূহ আ:
হযরত ইদরীস আ:
হযরত হূদ আ:
হযরত ছালেহ আ:
হযরত ইবরাহীম আ:
হযরত লূত আ:
হযরত ইসমাঈল আ:
হযরত ইসহাক আ:
হযরত ইয়াকূব আ:
হযরত ইউসুফ আ:
হযরত আইয়ূব আ:
হযরত শু‘আয়েব আ:
হযরত মূসা আ:
হযরত হারূণ আ:
হযরত ইউনুস আ:
হযরত দাঊদ আ:
হযরত সুলায়মান আ:
হযরত ইলিয়াস আ:
হযরত আল-ইয়াসা‘ আ:
হযরত যুল-কিফ'ল আ:
হযরত যাকারিয়া আ:
হযরত ইয়াহ্ইয়া আ:
হযরত ঈসা আ:
হযরত মুহাম্মাদ (সা: )
সাধারণ জ্ঞান
ইসলাম
- আল কুরআনের সুরক্ষিত স্থান----------------------------------------লাওহে মাহফুজ।
- সবচেয়ে মারাত্মক গুনাহ হচ্ছে-----------------------------------------------শিরক।
- রমজানের রোযা ফরজ হয়----------------------------------------দ্বিতীয় হিজরিতে।
- ইসলামের প্রথম মুয়াজ্জিন-------------------------------------হযরতর বেলাল (রা)।
- বাইতুল মাল প্রতিষ্ঠা করেন-------------------------------------হযরত মুহাম্মদ (স)।
- সূরা ফাতিহার সাথে অন্য সূরা মিলানো------------------------------------ওয়াজিব।
- আল্লাহ্ মানুষ সৃষ্টি করেছেন-------------------------------তাঁর ইবাদত করার জন্য।
- জামাতে নামাজ পড়া-------------------------------------------------------ওয়াজিব।
- আযান ও ইকামত নেই-----------------------------------------------ঈদের নামাজে।
- আল কুরআনের সর্ববৃতৎ সূরা ---------------------------------------সূরা বাকারা।
- ইসলামের দৃষ্টিতে গীবত করা-----------------------------------------------হারাম।
- আল্লাহর ইচ্ছায় যেকোনো রুপ ধারণ করতে পারে--------------------ফেরেশতাগণ।
Coming to more: .....................................................
কিছু ইতিহাস
কিছু ইতিহাস
- গৌড়ের বড় সোনা মসজিদ কে নির্মান করেন- নূসরত শাহ
- গৌড়ের ছোট সোনা মসজিদ কে নির্মান করেন – আলাউদ্দীন হোসেন শাহ
- বড় কাটরা কে নির্মান করেন- সুবেদার ইসলাম খান
- গ্রান্ড ট্রাঙ্ক রোড কে তৈরী করেন – শেরশাহ
- ঘোড়ার ডাকের প্রচলন করেন কে –শেরশাহ
- আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করা হয় কত সালে -৩রা জানুয়ারী ১৯৬৮ সালে
Come to more..................................
বৃহস্পতিবার, ১১ জুলাই, ২০১৩
ইংরেজি ভাষার ইতিহাস
ইংরেজি ভাষার ইতিহাস
ইংরেজি এখন উত্তরপশ্চিম জার্মানি এবং নেদারল্যান্ডস কি বিভিন্ন জায়গা থেকে জার্মানিক বাইরের বস্তুর মোকাবিলা এবং/অথবা ঔপনিবেশিকরা দ্বারা ব্রিটেনে আনা এংলো ফ্রিসিয়ান উপভাষায় থেকে সম্ভূত একটি পশ্চিম জার্মানিক ভাষা. প্রাথমিকভাবে, প্রাচীন ইংরেজী ব্রিটেনের Anglo-Saxon-সাম্রাজ্যের বিভিন্ন উত্স অনুধ্যায়ী, উপভাষা বিভিন্ন গ্রুপ ছিল. এই উপভাষায় এক, মরহুম ওয়েস্ট স্যাক্সন ঘটনাক্রমে, উদীয়মান হয়ে ওঠে.ইংরেজি ভাষার মধ্যযুগ মধ্যে ব্যাপক পরিবর্তন নিয়েছেন. আধুনিক ভাষা ইতিমধ্যে খ্রিস্টাব্দ 1400 লিখিত মিডিল ইংরেজি মূলত স্বীকৃত যখন খ্রিস্টাব্দ 1000 লিখিত প্রাচীন ইংরেজী, যেমন প্রাচীন উচ্চ জার্মানি এবং প্রাচীন নর্স, এবং আধুনিক স্পিকার সম্পূর্ণ অপাচ্য অন্যান্য পুরাতন জার্মানিক ভাষা শব্দভান্ডার ও ব্যাকরণ অনুরূপ. রূপান্তর আক্রমণ দুটি অতিরিক্ত তরঙ্গ সৃষ্টি হয়েছিল: জিত এবং 8th এবং 9th শতকে ব্রিটেন অংশ অধ্যুষিত যারা জার্মানিক ভাষা পরিবার, এর স্ক্যান্ডিনইভিআ শাখার স্পিকার দ্বারা প্রথম; 11th শতাব্দীর নর্মান দ্বারা দ্বিতীয়ত, যারা Old Norman and ultimately "Anglo-Norman" নামক এই একটি ইংরেজি বিভিন্ন উন্নত. আধুনিক ইংরেজি শব্দভান্ডার বৃহৎ অনুপাত এংলো নরমান থেকে সরাসরি আসে.Scandinavians সাথে যোগাযোগ বন্ধ একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণগত সরলীকরণ এবং ইংরেজি এংলো ফ্রিসিয়ান কোর এর আভিধানিক সমৃদ্ধি হত. যাইহোক, এই পরিবর্তনগুলি প্রাচীন ইংরেজী একটি পূর্ণবর্ধিত সাহিত্যিক ভাষায় উন্নত ছিল যেখানে 9th শতাব্দী, দক্ষিণ পশ্চিম ইংল্যান্ড পৌঁছে না. নর্মান 1066 সালে ঘটেছে, এবং সাহিত্য ইংরেজি 13th শতাব্দীর ভাবে বেড়ে যায়, এটা Scandinavian নিষ্পত্তি কেন্দ্র থেকে অনেক বেশী ঘনিষ্ঠ লন্ডনের বক্তৃতা, উপর ভিত্তি করে ছিল. কারিগরী ও সাংস্কৃতিক শব্দভান্ডার মূলত বিশেষত ভারী গির্জার প্রভাব, আদালত, এবং সরকারের সঙ্গে, Old Norman থেকে উদ্ভূত হয়. যেমন নতুন শব্দ প্রধান উৎস হিসেবে German and Dutch, Latin and Ancient Greek supplanted নর্মান ও ফরাসি অধিকাংশ উন্নয়নশীল ইউরোপীয় ভাষা হিসাবে, রেনেসাঁ আসছে. সুতরাং, ইংরেজি একটি অতিশয় disparate শব্দভান্ডার সঙ্গে খুব একটা "ঋণ" ভাষা বিকশিত.
Reference:
http://en.wikipedia.org/wiki/History_of_the_English_language
ভালো লাগলে শেয়ার করবেন।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)