Pages

মঙ্গলবার, ২৫ মার্চ, ২০১৪

Apollo metric image showing Lambert and the buried Lambert R craters in southern Mare Imbrium. (Apollo Image AS15-M-1010 [NASA/JSC/Arizona State University])

ল্যাম্বার্ট আর লাভা দ্বারা সমাধি - 06/03/2008
অ্যাপোলো 15 মেট্রিক ক্যামেরা দক্ষিণ Mare Imbrium মধ্যে Mare আগ্নেয়ক্রিয়ার এবং চান্দ্র মার্সের গর্ত মধ্যে গতিশীল মিথস্ক্রিয়া বন্দী . গভীরভাবে ছায়াবৃত্ত অভ্যন্তর দিয়ে গর্ত ল্যাম্বার্ট , 30 কিমি ব্যাস সঙ্গে একটি Erastosthenian - বুড়া বৈশিষ্ট্য. অস্বাভাবিক 55 কিমি ব্যাপী বিজ্ঞপ্তি বৈশিষ্ট্য ঠিক দক্ষিণে ল্যাম্বার্ট এর ল্যাম্বার্ট আর হিসাবে পরিচিত হয়
ল্যাম্বার্ট আর কি?
ভূবিজ্ঞানী Mare lavas এর প্রশমন এবং কুলিং দ্বারা সৃষ্ট স্ট্রাকচারাল অঙ্গবিকৃতি বৈশিষ্ট্য হিসেবে Mare বলি ঢালের ব্যাখ্যা , কিন্তু কখনও কখনও অনুরূপ ঢালের Mare lavas এবং preexisting ভূসংস্থান প্রবাহিত মধ্যে মিথস্ক্রিয়া দ্বারা সৃষ্ট. লুনার বিজ্ঞানীরা ল্যাম্বার্ট আর আসলে বিশাল লাভা প্রবাহ দ্বারা প্লাবিত ছিল একটি প্রভাব গর্ত যে মনে . লাভা জ্বালামুখ কবর হিসাবে, এটা , জুড়ান shrank , এবং জ্বালামুখ রিম আকৃতি ঢালাই , বিজ্ঞপ্তি ঢালের ফলে . চান্দ্র পৃষ্ঠ , আমরা চান্দ্র মার্সের গর্ত lavas দ্বারা সমাহিত করা হয়েছে যে বড় প্রভাব অববাহিকায় উভয় দেখতে , কিন্তু কারণ এই বিজ্ঞপ্তি সেতুবন্ধ নিদর্শন এখনও নির্ধারণযোগ্য হয় . কবর চান্দ্র বৈশিষ্ট্য খুব দরকারী শব্দ না , এটা তারা সক্রিয় যে ! আমরা Mare Imbrium সালে এর বিজ্ঞপ্তি Ridge বৈশিষ্ট্য দেখতে পারেন , কারণ চান্দ্র বিজ্ঞানীদের দৈত্য Imbrium প্রভাব বেসিন ভেতরের রিং অবস্থান জানেন যে একমাত্র কারণ , যেমন, হয় . একইভাবে, ল্যাম্বার্ট আর 55 কিমি ব্যাস . সমাহিত করা হয় না যে একটি একভাবে আকারের গর্ত খুঁজে পেতে এবং তার আশপাশ থেকে তার রিম উচ্চতা আপেক্ষিক পরিমাপ দ্বারা, আমরা ল্যাম্বার্ট কিছু r , চান্দ্র বিজ্ঞানীরা চান্দ্র ফুলছড়ি পুনর্গঠন করতে ব্যবহার করতে পারেন বিভিন্ন কৌশল এক মগ্ন যে আঞ্চলিক বন্যা lavas পুরুত্ব অনুমান করতে পারেন. লুনার পরিদর্শন পরিক্রমাকারী এবং অন্যান্য চলমান এবং পরিকল্পনা চান্দ্র মিশন দ্বারা ফিরে নতুন তথ্য আমরা মানব চান্দ্র অন্বেষণ পরবর্তী প্রজন্মের জন্য প্রস্তুতি হিসেবে আমাদের আরও সঠিকভাবে সব চাঁদের পৃষ্ঠের উপর underexplored এলাকায় অনুরূপ চান্দ্র বৈশিষ্ট্য মানচিত্র দেওয়া হবে.

English:

Lambert R: Buried by lava - 06/03/2008


The Apollo 15 Metric camera captured the dynamic interaction between mare volcanism and lunar craters in southern Mare Imbrium. The crater with the deeply shadowed interior is Lambert, an Erastosthenian-aged feature with a diameter of 30 km. The unusual 55 km-wide circular feature just south of Lambert is known as Lambert R.
What is Lambert R?

Geologist interpret mare wrinkle ridges as structural deformation features caused by the subsidence and cooling of mare lavas, but sometimes similar ridges are caused by the interaction between flowing mare lavas and the preexisting topography. Lunar scientists think that Lambert R is actually an impact crater that was flooded by massive lava flows. As the lava buried the crater, it cooled, shrank, and molded to the shape of the crater rim, resulting in the circular ridges. On the lunar surface, we see both lunar craters and large impact basins that have been buried by lavas, but are still detectable because of these circular ridge patterns. While buried lunar features don't sound very useful, it turns out that they are! The only reason that lunar scientists know the location of the inner ring of the giant Imbrium impact basin, for example, is because we can see its circular ridge features in Mare Imbrium. Similarly, Lambert R has a diameter of 55 km. By finding a similarly-sized crater that is not buried and measuring its rim height relative to its surroundings, we can estimate the thickness of the regional flood lavas that buried Lambert R, one of several techniques that lunar scientists can use to reconstruct lunar stratigraphy. The new data returned by the Lunar Reconnaissance Orbiter and other ongoing and planned lunar missions will let us more accurately map similar lunar features in underexplored areas all over the Moon's surface as we prepare for the next generation of human lunar exploration.

ইসলামি বর্ষপঞ্জি


ইসলামি বর্ষপঞ্জির মাসসমূহ নিম্নরূপ:
1. মুহররম محرّم
2. সফর صفر
3. রবিউল আউয়াল ربيع الأول
4. রবিউস সানি ربيع الآخر أو ربيع الثاني
5. জমাদিউল আউয়াল جمادى الأول
6. জমাদিউস সানি جمادى الآخر أو جمادى الثاني
7. রজব رجب
8. শা'বান شعبان
9. রমজান رمضان
10. শাওয়াল شوّال
11. জ্বিলকদ ذو القعدة
12. জ্বিলহজ্জ ذو الحجة

রবিবার, ২৩ মার্চ, ২০১৪

‘লা -ইলাহা ইল্লাল্লাহু‘ এর ফজিলত

‘লা -ইলাহা ইল্লাল্লাহু‘ এর ফজিলত

“কোন মুসলমান যখন ‘লা -ইলাহা ইল্লাল্লাহু‘ (আল্লাহ ছাড়া কোন মাবুদ নেই) বলে তখন বাক্যটি আকাশসমূহ ছেদ করে যায়, এমনকি তা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলার সামনে গিয়ে পৌঁছে।

আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা তখন বলেন: “স্থির হও”; তখন বাক্যটি বলে, “আমি কি-করে স্থির হব?- যে আমাকে উচ্চারন করেছে, এখনও তাকে মাফ করা হয়নি!”

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা তখন বলেন: “আমি তোমাকে এমন লোকের জিহ্বা দিয়ে উচ্চারন করিয়েছি; উচ্চারনের আগেই যাকে মাফ করে দিয়েছি”।

[হাদীসে কুদসী]

সবাই বলুন আলহামদুলইল্লা।

ইমাম মাহদি ও আগমনপূর্ব আলামতসমূহ No 1

ইমাম মাহদি ও আগমনপূর্ব আলামতসমূহ এর মধ্যে 

একটি হল  মুনাফিকও কুরআন পড়বে

হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) বর্ণনা করেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন:

“আমার উম্মতের জীবনে এমন একটি যুগ আসবে, তখন (কুরআনের) পাঠ বেড়ে যাবে, দীন বুঝবার মতো মানুষ কম হবে, ইলম তুলে নেওয়া হবে এবং হারজ বেশি হবে”। জিজ্ঞাসা করা হল, ‘হারজ’ কি ইয়া রাসুলাল্লাহ! নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, ‘হারজ হল পারস্পরিক খুনাখুনি। তারপর এমন একটি সময় আসবে, যখন মানুষ কুরআন পাঠ করবে; কিন্তু কুরআন তাদের কন্ঠনালী অতিক্রম করবে না। যখন মুনাফিক (মুসলিম নামধারী দ্বিমুখী), কাফির (আল্লাহর দ্বীন অস্বীকারকারী) ও মুশরিকরা (মূর্তিপূজারীরা) মুমিনদের সঙ্গে (ধর্ম বিষয়ে) বিবাদে লিপ্ত হবে”। (আল মুসতাদরাক, খণ্ড ৪, পৃষ্ঠা ৫০৪)

আমাদের এই যুগটিই সেই যুগ। এ যুগে নানা জাগতিক বিদ্যার বিশেষজ্ঞের অভাব নেই। মানুষ এক একজন এক এক বিদ্যায় পারদর্শিতা অর্জন করছে। মাস্টার ডিগ্রী ডক্টরেট ডিগ্রী অর্জন করছে। কিন্তু দ্বীনের বিদ্যায় বিদ্বান মানুষের সংখ্যা কম – একেবারেই নগণ্য। কুরআন হাদীস তথা ইসলাম বুঝবার মতো মানুষ খুবই অল্প। জাগতিক বিদ্যার সাগর তো অনেকই চোখে পড়ছে; কিন্তু দ্বীনি ইলমের অধিকারী মুসলমান খুঁজে পাওয়া বড়ই কঠিন। এদিকে মানুষের আগ্রহ একেবারেই কম।

মুনাফিক ও কাফির মুশরিকরা কুরআনের বিভিন্ন আয়াতকে অবলম্বন করে, অস্ত্র বানিয়ে সত্যের অনুসারীদের সঙ্গে ত্রক-বিবাদে লিপ্ত হচ্ছে এবং নিজের ভ্রান্তধারাকে কুরআন হাদিস দ্বারা প্রমাণিত করার চেষ্টা করছে।

হযরত আবু আমির আশআ’রি (রাঃ) বর্ণনা করেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,

“ আমি যে কটা ব্যাপারে আমার উম্মতের জন্য আশংকা অনুভব করছি, তার মধ্যে বেশি আশংকাজনক বিষয়টি হল, তারা বিপুল ধন সম্পদের মালিক হয়ে যাবে, যার ফলে তারা একে অপরকে হিংসা করবে এবং আপসে সংঘাতে জড়িয়ে পড়বে। আর তাদের জন্য কুরআন পড়া সহজ হয়ে যাবে। ফলে সৎকর্মপরায়ণ, পাপিষ্ঠ ও মুনাফিক সবাই কুরআন পড়বে। তারা সমাজে ফিতনা বিস্তার ও অপব্যাখ্যা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কুরআনের সূত্রে মুমিনদের সাথে তর্ক বিবাদে লিপ্ত হবে। অথচ কুরআনে এমন কিছু আয়াত আছে, যেগুলোর ব্যাখ্যা আল্লাহ ছাড়া কেউ জানে না। পক্ষান্তরে যারা গভীর জ্ঞানের অধিকারী, তারা বলবে, আমরা এই কুরআনের উপর পুরোপুরি ঈমান রাখি”।
(আল আহাদীসুল মাছানী খণ্ড ৪, পৃষ্ঠা ৪৫৩)

সম্পদের আধিক্য এযুগে একটি ব্যাপক বিষয়। আরব দেশগুলোতে সম্পদের বন্যা বইছে, যার ফলে যতসব ফিতনা ও অনাচার জন্ম নিচ্ছে। কুরআন পড়া এত সহজ হয়ে গেছে যে, আজকাল পবিত্র কুরআন ইংরেজী এবং বাংলা উচ্চারণে পড়া যাচ্ছে। ফলে কারও যদি সরাসরি আরবি বর্ণে কুরআন পাঠ করার যোগ্যতা নাও থাকে, সে ইচ্ছে করলে ইংরেজি বা বাংলায় কুরআন পড়তে পারছে।

ইদানিং ‘উচ্চারন কুরআনে’র রমরমা ব্যবসাও গড়ে উঠেছে। ফলে আজকাল ফাসিক-মুনাফিকদেরও কুরআন পড়তে দেখা যাচ্ছে। শুধু তাই নয়, কোন রকম যোগ্যতা ছাড়াই কুরআন বিষয়ে মতামত প্রদাণ করছে। তুরস্ক, মিসর, তিউনিসিয়া ও আমিরাতের পর এখন আমাদের দেশেও সেইসব লোক কুরআনের তাফসীর করছে, যাদের ইসলাম বিষয়ে বিন্দুমাত্র জ্ঞান নেই। বিভিন্ন টিভি চ্যানেলগুলো একদিকে ফিল্ম ড্রামার কাজ করে জাতিকে অশ্লীলতা ও চরিত্রহীনতার পাঠ শেখাচ্ছে, অপরদিকে সেসব আয়াতে মতামত প্রদান করছে, যেগুলোর জ্ঞান আল্লাহ নিজের কাছে রেখে দিয়েছেন।

#Collect

মেয়েদের মুখে অবাঞ্ছিত লোমের কারণ ও প্রতিকার

★মেয়েদের মুখে অবাঞ্ছিত লোমের কারণ ও প্রতিকার !

মেয়েদের মুখে যদি ছেলেদের মত লোম গজাতে শুরু করে, তবে তা খুব বিব্রতকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করে। শুধু বাহ্যিক সৌন্দর্যই নয়, শরীরের অনেক রোগের কারণেও এমন অবস্থা হতে পারে। তাই চিকিৎসা নেয়াটাও জরুরী।মেয়েদের ঠোঁটের ওপর, চিবুক, বুক, পেট বা পিঠে যদি তুলনামূলক মোটা, কালো কখনো বা একটু ঘন লোম দেখা দেয়, তাতে যেকোনো মেয়েই বিব্রত এবং দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে পড়েন। ডাক্তারি ভাষায় এই অবাঞ্ছিত লোম বৃদ্ধিকে হারসুটিজম বলা হয়।

হারসুটিজম:

এ সমস্যা খুব বিরল কিছু নয়। সমীক্ষায় দেখা গেছে যে বিশ্বব্যাপী ৫% থেকে ১৫% বয়ঃসন্ধিপ্রাপ্ত বা প্রাপ্তবয়স্ক মেয়েরা এ সমস্যায় আক্রান্ত হতে পারেন। তবে পারিবারিক ইতিহাস, গোত্র বা জাতিভেদে এর তারতম্য দেখা যায়। মধ্য এবং দক্ষিণ এশিয়ার মেয়েদের মধ্যে এ সমস্যা বেশি। ওজন আধিক্য বা স্থূল মেয়েদেরও এ সমস্যা বেশি হয়।কীভাবে অবাঞ্ছিত লোম তৈরি হয়?মেয়েদের শরীরে স্বাভাবিকভাবে এন্ড্রোজেন বা পুরুষ হরমোনের পরিমাণ খুব অল্প। কিন্তু কখনো ডিম্বাশয় বা এডরেনাল গ্রন্থি থেকে এই এন্ড্রোজেন অধিক পরিমাণে তৈরি হলে বা এন্ড্রোজেনের অধিক কার্যকারিতার কারণে এই হারসুটিজম দেখা দিতে পারে।

অবাঞ্ছিত লোম কী কী কারণে অতিরিক্ত এন্ড্রোজেন তৈরি হয়?
প্রথমেই জেনে নেওয়া ভালো যে এটা কোনো রোগ নয়, বরং লক্ষণ। বিভিন্ন কারণে পুরুষ হরমোন এন্ড্রোজেনের আধিক্য হয় মেয়েদের রক্তে।

রিস্ক ফ্যাক্টরঃ

সাধারণত মেনোপজ হয়ে গিয়েছে বা হচ্ছে এই সময়টা বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। মেনোপজ হল যখন মাসিক একেবারে বন্ধ হয়ে যায়। এই সময়ে হরমোন পরিবর্তন হয়ে যায়, তাই ঝুঁকি বেশি। তবে যে কোন বয়সেই এই সমস্যা দেখা দিতে পারে।
- অবিবাহিত মহিলাদের মাসিকের অনিয়মিত অবস্থাও এর সাথে বিদ্যমান থাকতে দেখতে হবে।- বিবাহিত হলে অনিয়মিত মাসিকের সাথে সন্তান হওয়া বা না হওয়ার সম্পর্ক জড়িত থাকে। সেক্ষেত্রে ও রোগ নির্ণয় করে চিকিৎসা নিতে হবে।

কারণগুলো হলো:

পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিন্ড্রম: ৭০ শতাংশ ক্ষেত্রে অবাঞ্ছিত লোমের কারণ এটি। অবাঞ্ছিত লোম বৃদ্ধির পাশাপাশি মুখে ব্রন, মাথার চুল পরা, ঘাড়ে কালো দাগ, ওজন বৃদ্ধি বা স্থ্থূলতা, অনিয়মিত মাসিক, গর্ভধারণে সমস্যা, উচ্চ রক্তশর্করা-কোলেস্টরল, উচ্চ রক্তচাপ, ডিম্বাশয়ে সিস্ট ইত্যাদি থাকতে পারে।

অনির্ণিত কারণ
অনেক সময় সুনির্দিষ্ট কারণ অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরও পাওয়া যায় না। পারিবারিক ইতিহাস থাকে বা স্থূল মেয়েদের ক্ষেত্রে দেখা দেয়।ডিম্বাশয় এবং এডরেনালগ্রন্থির টিউমার বা হাইপারপ্লাসিয়া: এ রকম টিউমার থেকে অত্যধিক পরিমাণ এন্ড্রোজেন হরমোন নিঃসরণের জন্য গলার স্বর পরিবর্তিত হতে পারে, শরীরের গঠন বা মাংসপেশির পুরুষালি পরিবর্তন ঘটে, এমনকি জননেন্দ্রিয়রও পরিবর্তন দেখা দেয়।অন্যান্য হরমোনজনিত রোগ:থাইরয়েডের সমস্যা, কুসিংস সিনড্রম, এক্রোমেগালি, প্রোলেকটিনোমা, ইনসুলিন রেজিসটেন্স সিনড্রম ইত্যাদি কারণে এই সমস্যা হতে পারে। তবে এগুলো বিরল সমস্যা।

ওষুধ: 


ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায়ও এ সমস্যা হতে পারে। যেমন স্টেরয়েড, ডেনাজল, মিনোক্সিডিল, মেটোক্লোপ্রামাইড, মিথাইলডোপা, ফেনোথায়াজিন, প্রজেস্টেরন ইত্যাদি।কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবেঃ১) লোম খুব দ্রুত হারে বাড়তে থাকলে।২) আরও কিছু পুরুষদের লক্ষণ বিদ্যমান থাকলে, যেমন-কণ্ঠস্বর পরিবর্তন, ব্রণ হওয়া, পেশি বেড়ে যাওয়া, ব্রেস্ট ছোট হয়ে যাওয়া ইত্যাদি।৩) সাথে যদি পিরিয়ডের সমস্যা থাকে।

রোগ নির্ণয়ঃ

ব্লাড টেস্ট করে রোগ নির্ণয় করা সম্ভব। কিছু হরমোন লেভেল দেখতে হয়। যেমন- Testosterone- Dihydroepiandrosterone sulfate (DHEA-S)- Luteinizing hormone (LH)- Follicle stimulating hormone (FSH)- Prolactin- 17-hydroxyprogesteroneমেয়েদের অবাঞ্ছিত লোমের প্রতিকার, কারণ নির্ধারণ এবং সে অনুযায়ী চিকিৎসা নেওয়া জরুরি।বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হয় এবং কমপক্ষে ছয় মাস সময় লাগতে পারে ফল পাওয়া শুরু হতে।ওষুধের পাশাপাশি ওয়াক্সিং, শেভিং, ক্রিম, ইলেকট্রলাইসিস, লেসার ইত্যাদির মাধ্যমে সাময়িকভাবে লোম কমিয়ে ফেলা যায়।ওজন কমানো অত্যন্ত জরুরি। উচ্চ রক্তশর্করা, কোলেস্টরল বা উচ্চরক্তচাপ হলে চিকিৎসা নিন।



Collect by Dr.