Pages

সোমবার, ৭ এপ্রিল, ২০১৪

নামাজে মনোযোগী হবার একটি পদ্ধতি।

নামাজে মনোযোগী হবার একটি পদ্ধতি।

Welcome to my blog!!!

আমরা যখন নামাজে দাড়াই তখন শয়তান আমাদের অন্তরে নানারকম প্ররোচনা দিয়ে নামাজে অমনোযোগী করে তুলার চেষ্টা করে, এতে অনেকের বেলায় শয়তান সফল হয় আবার অনেকের বেলায় শয়তান সফল হতে পারেনা।
এর থেকে বাঁচতে হলে ও নামাজ শুদ্ধভাবে পড়তে হলে আমরা যদি নামাযে যাহা পড়ি মেশিনের মতো না পড়ে বুঝে পড়ার চেষ্টা করতাম তাহলে ইন শা আল্লাহ্ শয়তান আমাদের নামাজকে নষ্ট করতে সফল হতে পারবে না ....
আজ আপনাদেরকে কিভাবে সুরা ফাতিহাতে মনোযোগ রাখবেন সেই সম্পর্কে আলোচনা করব ।
আপনাদের নিকট আমার অনুরোধ, যদি লেখাটি আপনার উপকারে আসে তাহলে অন্তত আপনার বন্ধু কিংবা আপনজনদের শেয়ার করবেন।
আল্লাহ এর জন্য আপনাকে উত্তম বিনিময় প্রদান করবেন।

*******নামাযে সূরা ফতিহা পড়ার সময় এ হাদীসটির কথা খেয়ালে রাখলে এক একটি আয়াত পড়ার পর আল্লাহর প্রেমময় জবাবটা মনের কানে শুনবার জন্য বান্দাহকে থামতেই হবে। আল্লাহর জবাবের যে তৃপ্তি ও শান্তি তা তারাই বোধ করতে পারে, যারা আয়াতগুলো ধীরে ধীরে মজা নিয়ে পড়ে।
এ হাদীসে মহব্বতের এমন অগ্নিকণা রয়েছে যে,....................
বান্দার দিলে ঈমানের বারুদ থাকলে এবং নামাযে সূরা ফাতিহা পড়ার সময় আল্লাহর আবেগময় কথার দিকে খেয়াল করলে আল্লাহর প্রতি ভালবাসার এমন আগুন জ্বলে উঠবে যে, এই জবাবে বান্দাহ নিজেকে মনিবের অতি কাছে বলে অনুভব করবে।
আউযুবিল্লাহ ও বিসমিল্লাহ.............. পড়ে সূরা ফাতিহা তিলাওয়াত করতে হবে।
হাদীসে আছে যে সূরা ফাতিহার এক এক অংশ তিলাওয়াত করার সাথে সাথে আল্লাহ এর জবাব দেন। এ হাদীসের কথাগুলো এমন আবেগময় ভাষায় বলা হয়েছে যা বান্দাহর মনে গভীর দোলা দেয়।

হাদীসটি নিম্নরূপ :

হাদিসটির অর্থ : হযরত আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত.....
তিনি বলেলন, আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি :
””আল্লাহ তাআলা বলেন, আমি নামাযকে আমার ও আমার বান্দাহর মধ্যে দুভাগে ভাগ করেছি। আর আমার বান্দাহ আমার নিকট যা চায় তাই পাবে।
বান্দাহ যখন বলে, ‘‘আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামীন।”
অর্থ :যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ তাআলার যিনি সকল
সৃষ্টি জগতের পালনকর্তা।
তখন আল্লাহ বলেন ......“আমার বান্দাহ আমার প্রশংসা করল।”
যখন বান্দাহ বলে “আর রাহমানির রাহীম”।
অর্থ :যিনি নিতান্ত মেহেরবান ও দয়ালু।
তখন আল্লাহ বলেন “আমার বান্দাহ আমার গুণ গাইল” !!!!

যখন বান্দাহ বলে “মালিকি ইয়াওমিদ্দীন ”
অর্থ :যিনি বিচার দিনের মালিক।
তখন আল্লাহ বলেন “আমার বান্দাহ আমার গৌরব বর্ণনা করল”

যখন বান্দাহ বলে, “ইয়্যাকা না বুদু ওয়া ইয়্যাকা নাসতাঈন
অর্থ :আমরা একমাত্র তোমারই ইবাদত করি এবং শুধুমাত্র তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করি।
তখন আল্লাহ বলেন “এ বিষয়টা আমার ও আমার বান্দাহর মাঝেই রইল । আর আমার বান্দাহর জন্য তাই যা সে চাইল (অর্থাৎ আমার ও আমার বান্দাহর মধ্যে এ চুক্তি হলো যে সে আমার কাছে চাইবে, আর আমি তাকে দেব)।


যখন বান্দাহ বলে “ইহদিনাস সিরাতাল মুস্তাকীম সিরাতাল্লাযীনা আন আমতা আলাইহিম গাইরিল মাগদূবি আলাইহিম ওয়ালাদ দোয়াললীন”
অর্থ :আমাদেরকে সরল পথ দেখাও, সে সমস্ত লোকের পথ, যাদেরকে তুমি নেয়ামত দান করেছ। তাদের পথ নয়, যাদের প্রতি তোমার গজব নাযিল হয়েছে এবং যারা পথভ্রষ্ট হয়েছে।"
তখন আল্লাহ বলেন ...........“এটা আমার বান্দাহর জন্যই রইল আর আমার বান্দাহর জন্য তা ই যা সে চাইল।”
আমি আপনাদের সাহায্যের  জন্য আরও একটি ভিডিও এড করলাম.............





You are watching "How to perfect your prayers"

This is a mail link:


সবগুলো ভালভাবে মনে রাখতে হবে যাতে আমরা আমাদের নামাজে পড়তে পারি।

রবিবার, ৬ এপ্রিল, ২০১৪

প্রশ্ন: সিয়াম সম্বন্ধে

প্রশ্ন:
Welcome to my blog!!

Hey frd !! How are you??

I am fine




আমি একদিন ঘুম থেকে দেরিতে উঠি এবং তখনো সাহরীর সময় বাকি আছে ধারণা করে সাহরী খেতে থাকি। খাওয়া শেষে জানতে পারি তখন সুবহে সাদিক হয়ে গেছে। জানার বিষয় হল, উপরোক্ত কারণে আমার রোযা সহীহ হবে কি না? না হলে এক্ষেত্রে আমার করণীয় কি? জানালে কৃতজ্ঞ হব।

উত্তর:

প্রশ্নে বর্ণিত অবস্থায় আপনার রোযাটি ভেঙ্গে গেছে, তা সহীহ হয়নি। তাই আপনাকে রোযাটির কাযা আদায় করে নিতে হবে। কাফফারা আদায় করতে হবে না।
 
উল্লেখ্য যে, রমযানের কোন রোযা নষ্ট হয়ে গেলেও নিয়ম হল, ঐ দিন ইফতারের পূর্ব পর্যন্ত রোযাদারের ন্যায় কাটাবে। বিশুদ্ধ বর্ণনায় এসেছে, তাবেয়ী মুজাহিদ রাহ. বলেন, যে ব্যক্তি এখনো রাত্র বাকি আছে ভেবে সাহরী খেতে থাকে, অতপর স্পষ্ট হয় যে, তখন সুবহে সাদিক হয়ে গেছে, সে যেন তার রোযাটিকে পূর্ণ করে (মুসান্নাফ ইবনে আবী শাইবা ৬/১৪৯-১৫০, হাদীস : ৯১৩২) এবং হযরত সায়ীদ ইবনে যুবাইর রাহ. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যদি কেউ সুবহে সাদিক হওয়ার পর খানা খেয়ে ফেলে তখন সে যেন ঐ দিন পানাহার থেকে বিরত থাকে এবং অন্য একদিন একটি রোযা কাযা করে নেয়।
-মুসান্নাফ ইবনে আবী শাইবা, হাদীস : ৯১৩৪; সুনানে বায়হাকী ৪/২১৬; কিতাবুল আসল ২/১৮৭; ফাতাওয়া তাতারখানিয়া ৩/৩৫৭; আদ্দুররুল মুখতার ২/৪০৫.
 আমার দেশ আমার অহংকার, 

তার নাম বাংলাদেশ....................

 

******কিশোরী মেয়ে ও তার বুদ্ধিমতি মা*****

******আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু*******

কিশোরী মেয়ে ও তার বুদ্ধিমতি মা :-

রূকাইয়া ইসলাম। প্রাণ চাঞ্চল্যে ভরপুর এক কিশোরী। নবম শ্রেণীতে পড়ে ।
পড়াশুনায় যেমন মেধাবী তেমনি দুষ্টুমিতেও কম যায়না। বাড়ির সবাইকে দুষ্টুমিতে মাতিয়ে রাখে। প্রাকৃতিক নিয়মেই হঠাৎ করে তার শারীরিক পরিবর্তন শুরু হতে লাগল। ঠিকরে বেরুতে লাগল সৌন্দর্য।


প্রতিদিন পায়ে হেঁটে স্কুলে যাওয়া-আসা করত । সাথে থাকত তার প্রতিবেশী কয়েকটি মেয়ে । একসাথে গল্প করতে করতে বাসায় ফিরত । প্রতিদিনের মত সে স্কুল থেকে ফিরছিল। কিন্তু আজ তার সাথে কেউ ছিলনা। রাস্তার পাশে এক ছেলে এসময় দাঁড়িয়ে থাকতো কিন্তু কিছু বলত না । আজ তাকে একা আসতে দেখে ছেলেটি তার কাছে এসে বলল - তুমি না অনেক সুন্দর ! তোমাকে আমার অনেক ভাল লাগে । একথা বলে ছেলেটি দ্রুত চলে যায়। সুমাইয়া হঠাৎ একথা শুনে একটু থমকে দাড়ায়। কিছু বুঝতে পারেনা। একসময় সম্বিৎ ফিরে পেয়ে দ্রুত বাসায় ফিরে আসে।
বাসায় ফিরে স্কুল ব্যাগ রেখে ড্রেস পরিবর্তন না করেই আয়নার সামনে গিয়ে নিজেকে দেখতে লাগল ।
সুমাইয়ার মা ব্যাপারটি লক্ষ্য করলেন । ভাবলেন মেয়েতো কখনও এরকম করেনা।
তাই তিনি মেয়ের কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করলেন -
- মামনি, কি ব্যাপার ? কিছু হয়েছে ?- আচ্ছা আম্মু, আমি কি দেখতে অনেক সুন্দর ?

মেয়ের একথায় মা একটু থমকে গেলেন । ভাল করে মেয়ের দিকে তাকালেন । সত্যিই মেয়ে যে দিনে দিনে এত সুন্দর হয়ে উঠছে তা তো অত ভাল করে খেয়াল করা হয়নি ।

মা  -- একথা কেন মামনি ?
মেয়ে  - আজ স্কুল থেকে আসার পথে এক ছেলে আমাকে বলে আমি নাকি অনেক সুন্দর !
মা  -- ও আচ্ছা এই কথা !
মেয়ে  - বলনা আম্মু !!
মা  -- হুম তুমিতো অনেক সুন্দর হয়ে যাচ্ছ দিনে দিনে !! আচ্ছা এখন তুমি তাড়াতাড়ি পোষাক পরিবর্তন কর আর গোছল করে ফ্রেস হয়ে খাওয়া দাওয়া করে রেষ্ট নাও । বিকালে তোমাকে নিয়ে মার্কেটে যাব। তোমার জন্য কিছু জামা কাপড় কিনব ।
মেয়ে - আচ্ছা ঠিক আছে।

বিকেলে মার্কেট থেকে মেয়ের পছন্দমত থ্রীপিছ কিনে দিলেন । বাসায় এসে মেয়েকে নতুন জামা পরিয়ে সুন্দর করে সাজিয়ে দিলেন। আর মেয়েকে বললেন যাও তোমার আব্বুকে দেখিয়ে আস তোমাকে কেমন সুন্দর লাগছে । নতুন জামা পড়ে খুব খুশিমনে আব্বুর কাছে গিয়ে সালাম করল। আর বলল -
মেয়ে  - আব্বু দেখতো আমাকে কেমন লাগছে ?
বাবা - সুবহানআল্লাহ ! তোমাকে অনেক সুন্দর লাগছে । এত সুন্দর করে তোমাকে কে সাজিয়ে দিল ?
মেয়ে  - মামনি !
****তার বাবা মানিব্যাগ থেকে দুটো পাঁচশত টাকার নোট বের বরে মেয়ের হাতে দিয়ে বলল -

বাবা -- এই পাঁচশত টাকা হল তোমার সালামী আর পাঁচশত টাকা হল তোমাকে এত সুন্দর করে সাজিয়ে দেয়ার জন্য তোমার আম্মুকে আমার তরফ থেকে বকশীশ।

মেয়ে খুশি মনে টাকা নিয়ে আম্মুর কাছে গেল । আম্মুকে টাকা দিল । আম্মু মেয়েকে জড়িয়ে ধরে কপালে চুমু খেলেন । তারপর পাশে বসিয়ে বললেন -

মা  -- তোমাকে যদি কেউ কিছু উপহার দেয় তাহলে তুমি সেটা কি কর ?
মেয়ে -- যত্ন করে রেখে দিই ।
মা  -- আচ্ছা, আল্লাহ তাআলা আমাদের মানুষকে সুন্দর করে সৃষ্টি করেছেন । তোমাকে এত সৌন্দর্য দান করেছেন । এটা কি তোমাকে আল্লাহর তরফ থেকে দেয়া উপহার না ?
মেয়ে -- হ্যাঁ ।
মা  -- তাহলে এই উপহার যত্ন করে রাখা দরকার না ?
মেয়ে -- হ্যাঁ অবশ্যই ।
মা  -- বলতো কিভাবে যত্ন করে রাখবে ?
মেয়ে -- কিভাবে আবার !
মা  -  চেহারার যত্ন নিব, রোদে যাবনা, ধূলাবালি থেকে দূরে থাকব, স্নো ব্যবহার করব।
মেয়ে -- হুম ।
মেয়ে -আর কি করবে ?
মেয়ে - আর কি ?
মা  - শোন মামনি, আল্লাহ তাআলা যেমন মানুষকে সৌন্দর্য দান করেছেন, ঠিক তেমনি সৌন্দর্য রক্ষণাবেক্ষণ করার জন্য ও কিছু নির্দেশ দিয়েছেন ।
আল্লাহ তাআলা বলেছেন - “আর মুমিন নারীদেরকে বল, তারা তাদের দৃষ্টিকে সংযত রাখবে এবং তাদের লজ্জাস্থানের হিফাযত করবে। আর যা সাধারণত প্রকাশ পায় তা ছাড়া তাদের সৌন্দর্য তারা প্রকাশ করবে না। তারা যেন তাদের ওড়না দিয়ে বক্ষদেশকে আবৃত করে রাখে। আর তারা যেন তাদের স্বামী, পিতা, শ্বশুর, নিজদের ছেলে, স্বামীর ছেলে, ভাই, ভাই-এর ছেলে, বোনের ছেলে, আপন নারীগণ, তাদের ডান হাত যার মালিক হয়েছে, অধীনস্থ যৌনকামনামুক্ত পুরুষ অথবা নারীদের গোপন অঙ্গ সম্পর্কে অজ্ঞ বালক ছাড়া কারো কাছে নিজদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে। আর তারা যেন নিজদের গোপন সৌন্দর্য প্রকাশ করার জন্য সজোরে পদচারণা না করে। হে মুমিনগণ, তোমরা সকলেই আল্লাহর নিকট তাওবা কর, যাতে তোমরা সফলকাম হতে পার।' (সূরা আন-নূর:৩১)


আল্লাহ তাআলা আরও বলেন - 'হে নবী, তুমি তোমার স্ত্রীদেরকে, কন্যাদেরকে ও মুমিনদের নারীদেরকে বল, ‘তারা যেন তাদের জিলবাবের কিছু অংশ নিজেদের উপর ঝুলিয়ে দেয়, তাদেরকে চেনার ব্যাপারে এটাই সবচেয়ে কাছাকাছি পন্থা হবে। ফলে তাদেরকে কষ্ট দেয়া হবে না। আর আল্লাহ অত্যন্ত ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।'(সূরা আহযাব-৫৯)

“'যদি তোমরা তাকওয়া অবলম্বন কর, তবে (পরপুরুষের সাথে) কোমল কন্ঠে কথা বলো না, তাহলে যার অন্তরে ব্যধি রয়েছে সে প্রলুব্ধ হয়। আর তোমরা ন্যায়সংগত কথা বলবে।'” (সূরা আহযাব-৩২)

এই যে, আল্লাহ তাআলা কতগুলো নির্দেশ দিয়েছেন এগুলো মেনে চলাকে বলা হয় পর্দা করা । আর প্রত্যেক মুসলিমের জন্য পর্দা করা ফরজ ।


মেয়ে -- তাহলে তো আমাকে বোরকা পড়তে হবে ।
- হ্যাঁ অবশ্যই।
মেয়ে -- আচ্ছা ঠিক আছে কিন্তু আমার পছন্দ মত বোরকার কাপড় কিনে দিতে হবে ।
মা  -- (মেয়েকে গালে ধরে একটু আদর করে) ঠিক আছে তোমার পছন্দ মত কাপড় কিনে দিব।
মেয়ে -- আচ্ছা বলত মামনি বাড়িতে ও কি বোরকা পড়ে থাকবে নাকি ?
মা  -- না,, বাড়িতে বড় ওড়না পড়ব ।
মেয়ে -- ভেরি গুড !!
মা  -   এইতো আমার মামনি সব কিছু বুঝে ফেলেছে ।
****আর শোন রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় খুব শান্তভাবে রাস্তার এক পাশ দিয়ে চলাচল করবে । স্কুলে কোন ছেলের সাথে কথা বলার প্রয়োজন হলে মিস্টি করে বা কোমল কন্ঠে কথা বলবেনা । অযথা তাদের সাথে গল্প করবেনা । ঠিক আছে ?
মেয়ে -- ঠিক আছে ।
মা  -- আল্লাহ তোমাকে সবকিছু মেনে চলার তৌফিক দান করুন ।
আমিন ।।







আমার দেশ আমার অহংকার,
তার নাম বাংলাদেশ...............