Pages

মঙ্গলবার, ১৩ আগস্ট, ২০১৩

[] আয়াতুল কুরসী পাঠের ফযীলত []


[] আয়াতুল কুরসী পাঠের ফযীলত []


আয়াতুল কুরসী ( আরবি ভাষায়: ﺁﻳﺔ ﺍﻟﻜﺮﺳﻲ ) হচ্ছে পবিত্র কোরআন শরীফের দ্বিতীয় সুরা আল বাকারার ২৫৫তম আয়াতটি।
এটি কোরআন শরীফের সবচেয়ে প্রসিদ্ধ আয়াত। এতে সমগ্র মহাবিশ্বের উপর আল্লাহর জোরালো ক্ষমতার কথা বর্ণনা করে।



বাংলা অনুবাদ :


আল্লাহ ছাড়া অন্য কোন উপাস্য নেই, তিনি জীবিত, সবকিছুর ধারক। তাঁকে তন্দ্রাও স্পর্শ করতে পারে না এবং নিদ্রাও নয়।
আসমান ও যমীনে যা কিছু রয়েছে, সবই তাঁর। কে আছ এমন, যে সুপারিশ করবে তাঁর কাছে তাঁর অনুমতি ছাড়া?
দৃষ্টির সামনে কিংবা পিছনে যা কিছু রয়েছে সে সবই তিনি জানেন।
তাঁর জ্ঞানসীমা থেকে তারা কোন কিছুকেই পরিবেষ্টিত করতে পারে না, কিন্তু যতটুকু তিনি ইচ্ছা করেন।
তাঁর সিংহাসন সমস্ত আসমান ও যমীনকে পরিবেষ্টিত করে আছে।
আর সেগুলোকে ধারণ করা তাঁর পক্ষে কঠিন নয়। তিনিই সর্বোচ্চ এবং সর্বাপেক্ষা মহান।

হাদীস  *আবূ উমামা রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত:

তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল বলেছেন: “যে ব্যক্তি প্রতি ফরয নামায শেষে আয়াতুল কুরসী পড়ে, তার জান্নাতে প্রবেশ করতে মৃত্যু ছাড়া কোন কিছু বাধা হবে না। (সহীহ আল্ জামে :৬৪৬৪)

*হজরত আলী (রা.) বলেন,

"আমি রাসূলুল্লাহকে (সা.) বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরজ সালাতের পর আয়াতুল কুরসি নিয়মিত পড়ে, তার জান্নাত প্রবেশে কেবল মৃত্যুই অন্তরায় হয়ে আছে। যে ব্যক্তি এ আয়াতটি বিছানায় শয়নের সময় পড়বে আল্লাহ তার
ঘরে, প্রতিবেশীর ঘরে এবং আশপাশের সব ঘরে শান্তি বজায় রাখবেন। (সুনানে বাইহাকী )

যে ব্যক্তি উক্ত আয়াত রাতে পাঠ করবে আল্লাহর পক্ষ থেকে তার সাথে একজন রক্ষণা বেক্ষণকারী ফেরেশতা নিযুক্ত থাকবেন এবং সকাল র্পযন্ত শয়তান তার কাছে আসতে পারেনা কারণ, শয়তান ওয়াদা করেছে যে, যে ব্যাক্তি আয়াতুল কুরছি পড়বে আমি তার কাছে যাব না।

শুক্রবার আছরের নামাযের পর নির্জন স্থানে বসে এই আয়াত ৭ বার পাঠ করলে মনে এক আশ্চর্যভাবের উদয়
হয় এ ঔ সময় পাঠকারীর দোয়া কবুল হয়।


*হযরত আবু হুরাইরা থেকে বর্ণিত :
"রাসুল (সা.) বলেছেন: সুরা বাকারায় একটি শ্রেষ্ঠ আয়াত রয়েছে, যে ঘরে আয়াতুল কুরসী পাঠ করা হবে সেখান থেকে শয়তান পালাতে থাকে।

(মুসতাদরাকে হাকিম:২১০৩)

Coming More..............................................

Stay with me facebook

সাধারণ জ্ঞান(3)


আসুন জেনে নিই ফুটবল সম্পর্কে কিছু তথ্য আশা করি সবার ভাল লাগবে .



01 >>>>>ফিফা 1904 সালের 21 মে ফ্রান্সের প্যারিসে জন্ম লাভ করে।
02 >>>>>ফুটবল খেলার জন্ম হয় চীনে।
03 >>>>>ফুটবলের রাজপুএ বলা হয় ম্যারাডোনাকে।
04 >>>>>ফুটবলের উর্বর ভূমি হিসাবে খ্যাত ল্যাটিন আমেরিকা।
05 >>>>>ফুটবলের সম্রাট বলা হয় পেলেকে।
06 >>>>>চেক প্রজাতন্তের প্রাগে অবস্থিত স্টাইভ স্টো়ডিয়ামটি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় স্টোডিয়াম।
07 >>>>>FIFA এর পূর্ণ রুপ (Federation of International Football Association).
08 >>>>>আদর্শ ফুটবলের ওজন 14-16 আউন্স।
09 >>>>>টোটাল ফুটবলের জনক বলা হয় হল্যান্ডের জোহান ঞুইফকে।
10 >>>>>পাবলো বাজোলি বিশ্বের প্রথম মহিলা রেফারী।
Coming More..............................................