Pages

শনিবার, ১৩ জুলাই, ২০১৩

কুরআনে বর্ণিত পঁচিশজন নবীর নাম

It 's  have our 25 The Prophet's name:    

 

  1. হযরত আদম আ:

  2. হযরত নূহ আ:

  3. হযরত ইদরীস আ:

  4. হযরত হূদ আ:

  5. হযরত ছালেহ আ:

  6. হযরত ইবরাহীম আ:

  7. হযরত লূত আ:

  8. হযরত ইসমাঈল আ:

  9. হযরত ইসহাক আ:

  10. হযরত ইয়াকূব আ:

  11. হযরত ইউসুফ আ:

  12. হযরত আইয়ূব আ:

  13. হযরত শু‘আয়েব আ:

  14. হযরত মূসা আ:

  15. হযরত হারূণ আ:

  16. হযরত ইউনুস আ:

  17. হযরত দাঊদ আ:

  18. হযরত সুলায়মান আ:

  19. হযরত ইলিয়াস আ:

  20. হযরত আল-ইয়াসা‘ আ:

  21. হযরত যুল-কিফ'ল আ:

  22. হযরত যাকারিয়া আ:

  23. হযরত ইয়াহ্ইয়া আ:

  24.  হযরত ঈসা আ: 

  25. হযরত মুহাম্মাদ (সা: )

সাধারণ জ্ঞান

ইসলাম

  • আল কুরআনের সুরক্ষিত স্থান----------------------------------------লাওহে মাহফুজ।
  •  সবচেয়ে মারাত্মক গুনাহ হচ্ছে-----------------------------------------------শিরক।
  • রমজানের রোযা ফরজ হয়----------------------------------------দ্বিতীয় হিজরিতে।
  • ইসলামের প্রথম মুয়াজ্জিন-------------------------------------হযরতর বেলাল (রা)।
  • বাইতুল মাল প্রতিষ্ঠা করেন-------------------------------------হযরত মুহাম্মদ (স)।
  • সূরা ফাতিহার সাথে অন্য সূরা মিলানো------------------------------------ওয়াজিব।
  • আল্লাহ্ মানুষ সৃষ্টি করেছেন-------------------------------তাঁর ইবাদত করার জন্য।
  • জামাতে নামাজ পড়া-------------------------------------------------------ওয়াজিব।
  • আযান ও ইকামত নেই-----------------------------------------------ঈদের নামাজে।
  • আল কুরআনের সর্ববৃতৎ সূরা ---------------------------------------সূরা বাকারা।
  • ইসলামের দৃষ্টিতে গীবত করা-----------------------------------------------হারাম।
  • আল্লাহর ইচ্ছায় যেকোনো রুপ ধারণ করতে পারে--------------------ফেরেশতাগণ।

 Coming to more:  .....................................................

কিছু ইতিহাস

 কিছু ইতিহাস

  • গৌড়ের বড় সোনা মসজিদ কে নির্মান করেন- নূসরত শাহ
  • গৌড়ের ছোট সোনা মসজিদ কে নির্মান করেন – আলাউদ্দীন হোসেন শাহ
  • বড় কাটরা কে নির্মান করেন- সুবেদার ইসলাম খান
  • গ্রান্ড ট্রাঙ্ক রোড কে তৈরী করেন – শেরশাহ
  • ঘোড়ার ডাকের প্রচলন করেন কে –শেরশাহ
  • আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করা হয় কত সালে -৩রা জানুয়ারী ১৯৬৮ সালে
                Come to more..................................

বৃহস্পতিবার, ১১ জুলাই, ২০১৩

ইংরেজি ভাষার ইতিহাস

 ইংরেজি ভাষার ইতিহাস

ইংরেজি এখন উত্তরপশ্চিম জার্মানি এবং নেদারল্যান্ডস কি বিভিন্ন জায়গা থেকে জার্মানিক বাইরের বস্তুর মোকাবিলা এবং/অথবা ঔপনিবেশিকরা দ্বারা ব্রিটেনে আনা এংলো ফ্রিসিয়ান উপভাষায় থেকে সম্ভূত একটি পশ্চিম জার্মানিক ভাষা. প্রাথমিকভাবে, প্রাচীন ইংরেজী ব্রিটেনের Anglo-Saxon-সাম্রাজ্যের বিভিন্ন উত্স অনুধ্যায়ী, উপভাষা বিভিন্ন গ্রুপ ছিল. এই উপভাষায় এক, মরহুম ওয়েস্ট স্যাক্সন ঘটনাক্রমে, উদীয়মান হয়ে ওঠে.ইংরেজি ভাষার মধ্যযুগ মধ্যে ব্যাপক পরিবর্তন নিয়েছেন. আধুনিক ভাষা ইতিমধ্যে খ্রিস্টাব্দ 1400 লিখিত মিডিল ইংরেজি মূলত স্বীকৃত যখন খ্রিস্টাব্দ 1000 লিখিত প্রাচীন ইংরেজী, যেমন প্রাচীন উচ্চ জার্মানি এবং প্রাচীন নর্স, এবং আধুনিক স্পিকার সম্পূর্ণ অপাচ্য অন্যান্য পুরাতন জার্মানিক ভাষা শব্দভান্ডার ও ব্যাকরণ অনুরূপ. রূপান্তর আক্রমণ দুটি অতিরিক্ত তরঙ্গ সৃষ্টি হয়েছিল: জিত এবং 8th এবং 9th শতকে ব্রিটেন অংশ অধ্যুষিত যারা জার্মানিক ভাষা পরিবার, এর স্ক্যান্ডিনইভিআ শাখার স্পিকার দ্বারা প্রথম; 11th শতাব্দীর নর্মান দ্বারা দ্বিতীয়ত, যারা Old Norman and ultimately "Anglo-Norman" নামক এই একটি ইংরেজি বিভিন্ন উন্নত. আধুনিক ইংরেজি শব্দভান্ডার বৃহৎ অনুপাত এংলো নরমান থেকে সরাসরি আসে.Scandinavians সাথে যোগাযোগ বন্ধ একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণগত সরলীকরণ এবং ইংরেজি এংলো ফ্রিসিয়ান কোর এর আভিধানিক সমৃদ্ধি হত. যাইহোক, এই পরিবর্তনগুলি প্রাচীন ইংরেজী একটি পূর্ণবর্ধিত সাহিত্যিক ভাষায় উন্নত ছিল যেখানে 9th শতাব্দী, দক্ষিণ পশ্চিম ইংল্যান্ড পৌঁছে না. নর্মান 1066 সালে ঘটেছে, এবং সাহিত্য ইংরেজি 13th শতাব্দীর ভাবে বেড়ে যায়, এটা Scandinavian নিষ্পত্তি কেন্দ্র থেকে অনেক বেশী ঘনিষ্ঠ লন্ডনের বক্তৃতা, উপর ভিত্তি করে ছিল. কারিগরী ও সাংস্কৃতিক শব্দভান্ডার মূলত বিশেষত ভারী গির্জার প্রভাব, আদালত, এবং সরকারের সঙ্গে, Old Norman থেকে উদ্ভূত হয়. যেমন নতুন শব্দ প্রধান উৎস হিসেবে German and Dutch, Latin and Ancient Greek supplanted নর্মান ও ফরাসি অধিকাংশ উন্নয়নশীল ইউরোপীয় ভাষা হিসাবে, রেনেসাঁ আসছে. সুতরাং, ইংরেজি একটি অতিশয় disparate শব্দভান্ডার সঙ্গে খুব একটা "ঋণ" ভাষা বিকশিত.

Reference:

http://en.wikipedia.org/wiki/History_of_the_English_language

  ভালো লাগলে শেয়ার করবেন।

বুধবার, ১০ জুলাই, ২০১৩

What you get in this blog?????????

আমি আশা করি যে , তোমাদের কে ভালো কিছু পোস্ট করবো। আমি চাই এই ব্লগ এর মার্দমে সবাই কে কিছু শিখানোর।
তোমার আমাকে দুয়া করিও।
Next টাইম কিছু ভালো study এর উপর আলোচনা করবো।
Thanks for everybody, Best of luck .
See you next time.

সোমবার, ৮ জুলাই, ২০১৩

মাহে রমজান

প্রতি বছরের মতো এ বছরও এক  দিন পরই রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের বার্তা নিয়ে আসছে মাহে রমজান। মুমিনের আত্মাকে আল্লাহ তায়ালা ধুয়েমুছে পাকসাফ করে তার রঙে রঙিন করে তুলবেন। আর যারা খোদাপ্রেমিক তাদেরও অপেক্ষার প্রহর শেষ হচ্ছে না। তারা শুধুই ভাবছেন, কোন দিন থেকে শুরু হবে রমজান এবং তারা নিজেদেরকে পূতপবিত্র করে গড়ে তুলবেন। তাদের আখলাককে উন্নততর, মহত্তর, পবিত্রতর করে ইহকাল ও পরকালের কল্যাণ সাধন করবেন। পরম করুণাময়ের সন্তুষ্টির জন্য গরিবের প্রতি সহমর্মী, ধৈর্যশীল ও সহনশীল হবেন। চারিত্রিক গুণাবলি আরো শাণিত করবেন। সিয়াম সাধনার কঠোর সংযমের সিঁড়ি বেয়ে পরহেজগারির শীর্ষ চূড়ায় আরোহণ করবেন।

সিয়াম সাধনার মাধ্যমে বান্দা আল্লাহর সাথে গভীর সম্পর্ক গড়ে তুলবেন, বান্দা থেকে বন্ধু হবেন এবং সমাজের অন্যজনকে আত্মসংযমী ও আত্মশুদ্ধিতে উদ্বুদ্ধ করে সমাজকে কলুষমুক্ত করবেন। মহান জগৎ-সংসারের মালিক আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনে ঘোষণা করেছেন, ‘হে ঈমানদারেরা! তোমাদের প্রতি রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেমনিভাবে ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর। আর এ জন্য ফরজ করা হয়েছে, যাতে তোমরা তাকওয়া হাসিল করতে সক্ষম হও।’ (সূরা বাকারা : ১৮৩)।

Question and Answer. Part No#1

প্রশ্ন:
আমি একদিন ঘুম থেকে দেরিতে উঠি এবং তখনো সাহরীর সময় বাকি আছে ধারণা করে সাহরী খেতে থাকি। খাওয়া শেষে জানতে পারি তখন সুবহে সাদিক হয়ে গেছে। জানার বিষয় হল, উপরোক্ত কারণে আমার রোযা সহীহ হবে কি না? না হলে এক্ষেত্রে আমার করণীয় কি? জানালে কৃতজ্ঞ হব।

উত্তর:
প্রশ্নে বর্ণিত অবস্থায় আপনার রোযাটি ভেঙ্গে গেছে, তা সহীহ হয়নি। তাই আপনাকে রোযাটির কাযা আদায় করে নিতে হবে। কাফফারা আদায় করতে হবে না।
উল্লেখ্য যে, রমযানের কোন রোযা নষ্ট হয়ে গেলেও নিয়ম হল, ঐ দিন ইফতারের পূর্ব পর্যন্ত রোযাদারের ন্যায় কাটাবে। বিশুদ্ধ বর্ণনায় এসেছে, তাবেয়ী মুজাহিদ রাহ. বলেন, যে ব্যক্তি এখনো রাত্র বাকি আছে ভেবে সাহরী খেতে থাকে, অতপর স্পষ্ট হয় যে, তখন সুবহে সাদিক হয়ে গেছে, সে যেন তার রোযাটিকে পূর্ণ করে (মুসান্নাফ ইবনে আবী শাইবা ৬/১৪৯-১৫০, হাদীস : ৯১৩২) এবং হযরত সায়ীদ ইবনে যুবাইর রাহ. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যদি কেউ সুবহে সাদিক হওয়ার পর খানা খেয়ে ফেলে তখন সে যেন ঐ দিন পানাহার থেকে বিরত থাকে এবং অন্য একদিন একটি রোযা কাযা করে নেয়।
-মুসান্নাফ ইবনে আবী শাইবা, হাদীস : ৯১৩৪; সুনানে বায়হাকী ৪/২১৬; কিতাবুল আসল ২/১৮৭; ফাতাওয়া তাতারখানিয়া ৩/৩৫৭; আদ্দুররুল মুখতার ২/৪০৫।
আশা করি আপনারা আমার সাথে থাকবেন।

ভাই কমেন্ট দিয়ে আমাকে জানান।

রবিবার, ৭ জুলাই, ২০১৩

কিভাবে নামাজের মাধূর্য আস্বাদন করা যায়?

ভালোবাসা

আল্লাহর প্রতি ভালোবাসা যত বেশী হবে, নামাজে খুশুও তত বাড়তে থাকবে| যখন অনেক পছন্দের মানুষের সাথে দেখা হয় তখনকার অনুভূতি আর সাধারণ মানুষের সাথে দেখা হওয়ার অনুভূতির বিস্তর ফারাক আছে|
আগের লেখাতে আমরা উল্লেখ করেছি যে, কারো প্রতি ভালোবাসা মূলত তার সৌন্দর্য, গুনাবলী এবং তার করা সাহায্য থেকে সৃষ্টি হয়; এবং আল্লাহতায়ালা এই তিনটি ক্ষেত্রেই সর্বোচ্চ মর্যাদায় অধিষ্ঠিত| আমরা তার সৌন্দর্যের কথা তো আগেই বলেছি; কিন্তু তাঁর গুনাবলী কি কি? কিংবা তিনি আমাদের জন্যে কিই বা করেছেন? আমরা জানি একটা মানুষের চরিত্র বা তাঁর দোষ-গুন আমাদের সামনে আসে যখন আমরা তাদের সাথে চলাফেরা করি, তাদের সাথে মিশি| তাহলে আমরা আল-হালীম(সবচেয়ে বড় ধৈর্যধারণকারী), আর-রহীম(পরম করুনাময়) আল-কারীম(যিনি উদারতায় সর্বশ্রেষ্ঠ) আল-ওয়াদুদ(যিনি সবার চেয়ে বেশি ভালোবাসেন) সম্পর্কে কি জানি আর কি বলতে পারি?

আল্লাহর সাথে সম্পর্ক:

ইবনে আল-কায়য়িম বলেন আমরা তাঁর করুনা সম্পর্কে একটা ধারণা করতে পারি যখন তিঁনি তার বান্দাদের সাথে অতি মধুর সুরে কথা বলেন| যখন তিনি সীমালংঘনকারীদের উদ্দেশ্যে কথা বলেন তখন তিঁনি বলেন না যে “ওহে পাপিষ্ঠ!” বরং তিঁনি বলেন:
 قُلْ يَا عِبَادِيَ الَّذِينَ أَسْرَفُوا عَلَىٰ أَنفُسِهِمْ لَا تَقْنَطُوا مِن رَّحْمَةِ اللَّهِ ۚ إِنَّ اللَّهَ يَغْفِرُ الذُّنُوبَ جَمِيعًا ۚ إِنَّهُ هُوَ الْغَفُورُ الرَّحِيمُ
“হে আমার বান্দাগণ যারা নিজেদের উপর যুলুম করেছ তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয় আল্লাহ সমস্ত গোনাহ মাফ করেন। তিনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু|”  [আল-জুমার ৩৯:৫৩]
খেয়াল করুন কিভাবে মহান আল্লাহতায়ালা কিভাবে আমাদের সাথে কথা বলছেন| তিঁনি আমাদের চোখ দিয়েছেন, নাক দিয়েছেন, কান দিয়েছেন, মুখ সহ অন্য সকল অঙ্গপ্রত্যঙ্গ দিয়েছেন; তারপর আমরা সেগুলো দিয়েই তাঁর আদেশ অমান্য করে চলেছি, তারপরও তিনি আমাদের শাস্তি দিচ্ছেন না; বরং তিনি ধৈর্যধারণ করে আমাদের তাঁর দিকে ফিরে আসার সুযোগ দিয়ে চলেছেন| আবার যখন আমরা তাঁর কাছে হাত তুলে তাওবা করি, ক্ষমা প্রার্থনা করি তিঁনি আমাদের সকল পাপ এমনভাবে মুছে দেন যেনো তা হয়তো কখনো করাই হয়নি|
একবার ভেবে দেখুন কিভাবে আল্লাহতায়ালা আমাদের কতবার কত বড় বড় বিপদ থেকে বাঁচিয়ে দিয়েছেন| এমন কতো সময় গেছে যে আপনি ভেবেছেন কত বড় সর্বনাশই না হয়ে গেলো, আল্লাহর কাছে কতইনা অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন অথচ পরে সবকিছুর পরিনাম দেখে বলেছেন “হায় আল্লাহ, সকল প্রশংসা তোমারই, তুমি যা করেছিলে তা ভালোর জন্যই করেছিলে|” কল্পনা করুনতো যে কেউ আপনাকে একটা উপহার দিলো, আপনার তা পছন্দ হলনা এবং আপনার আচরণেই তা তাকে বুঝিয়ে দিলেন যে আপনার এই ফালতু উপহার মোটেও পছন্দ হয়নি| আর পরে যখন তা আপনার উপকারে আসলো আপনি তার কাছে গেলেন আর হাত ধরে বললেন, “অনেক অনেক ধন্যবাদ, তোমার উপহারের জন্য আজ বেঁচে গেলাম|”
ইবনে আল-কায়য়িম বলেন, “আল্লাহ তাঁর বান্দাদের সম্পর্কে অনেক সাবধানী, কিন্তু তাঁর বান্দা তাঁর সামনে একটুকুও লজ্জ্বা বোধ করেন না|” আল্লাহ হাজার হাজার নবী রাসূল পাঠিয়েছেন যাতে আমরা সরলপথে তাঁর দিকে চলতে পারি, তিঁনি নিজে প্রতি রাতের শেষ এক-তৃতীয়াংশে সর্বনিম্ন আসমানে নেমে এসে জিগ্যেস করেন কেউ কি আছে যে আমার কাছে কিছু চায়? কেউ আছে যে তাওবা করবে? আর তিঁনি তাকে মাফ করে দিবেন| আর এসব কিছুই তিনি করেন শুধু আমাদের জন্য, আমরা না থাকলেও তাঁর কিছু যায় আসে না| আমাদেরই তাঁর কাছে সকল চাহিদা, সকল প্রার্থনা, অথচ তারপরও আমরা তাঁর সকল অনুগ্রহকে উপেক্ষা করতে লজ্জাবোধ করিনা|

আল্লাহতায়ালাকে জানা এবং চেনা:
ইবনে আল-কায়য়িম বলেন যে, তুমি যদি আল্লাহতায়ালকে জানো, তাকে তুমি ভালোবাসে ফেলবেই| যিনি আপনার দূ’আ কবুল করেন, যিনি আপনাকে প্রতিটা কাজের জন্যে পুরস্কৃত করেন, যিনি ক্ষমা করে দেন, যিনি আমাদের দোষ-ত্রুটি গোপন করে রাখেন, যিনি আমাদেরকে আমাদের মায়ের চাইতেও অধিক ভালোবাবাসেন তাকে কি ভালো না বেসে পারা যায়?
youtube এর একটি ভিডিও ক্লিপ( http://www.youtube.com/watch?v=btuxO-C2IzE ৮ MB) আছে দেখে আসতে পারেন| এটা কোন মুভির দৃশ্য নয়, বরং সত্যি ঘটনা| দুজন ব্রিটিশ ব্যক্তি একটা সিংহ শাবককে ছোট থেকে বড় করেন, বড় হয়ে যাবার পর তারা সিংহটিকে লোকালয়ে রাখতে না পেরে তাকে আফ্রিকার বনে রেখে আসে| এক বছর কেটে যাবার পর সিংহটাকে তাদের খুব দেখতে ইচ্ছা হলে তারা আবার সেখানে ফিরে যায়; তাদের কে বলা হয়েছিল যে এতদিন বন্য পরিবেশে থেকে সিংহটা খুব হিংস্র হয়ে গেছে; কিন্তু সুবহান-আল্লাহ(সকল গৌরব, অহংকার ও মহিমা আল্লাহর) অনেক খোঁজাখুজির পেয়ে যখন তারা সিংহটির কাছে গেলো; তখন সে তাদের সাথে কি আচরণ করলো তা না দেখলে বর্ণনা করে বোঝানো সম্ভব না; এমনকি সিংহটি তার সিংহীকেও তাদের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়|
এই সম্পর্ক কিছুটা হলেও ভাবিয়ে তোলে যে আল্লাহতায়ালার সাথে আমাদের কি রকম সম্পর্ক হওয়া উচিত| প্রতিদিন ঘুমের সময় নিজের রুহকে আল্লাহ তায়ালার কাছে সঁপে দেই আমরা, তিঁনি যদি তা ফিরিয়ে না দিতেন তবে কি আমরা কেউ কিছু করতে পারতাম? প্রতিদিন তিনি আমাদেরকে আলো বাতাস পানি দিয়ে বাঁচিয়ে রেখেছেন, প্রতিদিন আমাদের রিজিক এর সুব্যবস্থা করে দিচ্ছেন; আবার যখন সীমালংঘন করছি, পাপ কাজ করছি, তাওবা করার সাথে সাথে মাফ করে দিচ্ছেন| আল্লাহতায়ালা পবিত্র কোরআনে বলেন:
هَلْ جَزَاءُ الْإِحْسَانِ إِلَّا الْإِحْسَانُ
সৎকাজের প্রতিদান উত্তম পুরস্কার ব্যতীত আর কি হতে পারে? [আর রাহমান ৫৫:৬০]
একটা বন্য ও হিংস্র প্রাণী যদি তাকে কিছুদিনের জন্য দেখভাল করায় এতটা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে পারে; তাহলে আমাদের আল্লাহতায়ালার প্রতি কি পরিমান কৃতজ্ঞ আর অনুগত হওয়া উচিত? নামাজে ঠিক সেই পরিমান বিনীত হয়ে দাড়ানো উচিত আমাদের| আল্লাহ তায়ালা বলেন:
وَكَانُوا لَنَا خَاشِعِينَ
এবং তারা ছিল আমার কাছে বিনীত। [আল-আম্বিয়া ২১:৯০]

এখন যদি আপনি প্রধানমন্ত্রীর সাথে দেখা করতে চান, তাহলে আগে ঠিক জায়গায় যোগাযোগ করে সময় নির্ধারণ করতে হবে, যদি তিনি আপনার সাথে দেখা করতে রাজি হোন তবেই তার সাথে কথা বলতে পারবেন; এবং এর পরও যদি আপনি তার কাছে কিছু চান তা সে যাই হোক না কেন, তিনি রাজি হতেও পারেন নাও হতে পারেন| যদি আপনার দাবি পূরণ হয় তাহলে আপনি তার কাছে খুবই কৃতজ্ঞ হবেন, সবার কাছে তার সুনাম করে বেড়াবেন|

আমি তাওবা করতে চাই কিন্তু! – পাপ করে ফেললে কি করবো?

প্রবন্ধটি পড়া হলে, শেয়ার করতে ভুলবেন না

শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু

আপনি হয়তো বলতে পারেন, যখন আমার দ্বারা পাপ হয়ে যাবে তখন কিভাবে দ্রুত তাওবা করতে পারি? এমন কোন কাজ রয়েছে কি যা পাপ করার সাথে সাথেই করতে পারি?


উত্তর: পাপ থেকে বিরত হয়েই দুটি কাজ করতে হবে:

এক: অন্তঃকরণের কাজ হলো অনুতপ্ত হওয়া এবং এই বলে দৃঢ় সংকল্প নেয়া যে, এ ধরণের কাজ আর করবো না। এটি হবে মূলত আল্লাহর ভয়ের ফলে।


দুই: অঙ্গপ্রত্যঙ্গের কাজ বিভিন্ন প্রকারের নেকীর কাজ করার মাধ্যমে। এর মধ্যে অন্যতম হলো তাওবার নামায। এর দলীল হলো: হযরত আবু বকর রাযিআল্লাহু তা’আলা আনহু হতে বর্ণিত তিনি বলেন আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, কোন মানুষ পাপ করার পর যদি পবিত্রতা অর্জন করে, অতঃপর নামায পড়ে এরপর আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করে, তাহলে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দেবেন। (আসহাবুস সুনান, সহীহ আত্তারগীব ওয়াত্তারহীব ১/২৮৪)

অতঃপর তিনি এ আয়াত পাঠ করেন:

“যারা অশ্লীল কাজ করার পর অথবা নিজেদের প্রতি জুলুম করার পর আল্লাহকে স্মরণ করে এরপর নিজেদের পাপের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে, আর আল্লাহ ব্যতীত গুনাহ সমূহ ক্ষমা করতে কেউ সক্ষম নয় এবং তারা নিজেদের কৃতকর্মের উপর অটল থাকে না এবং তারা (গুনাহের বা পাপের উপর অটল থাকার ভীষণ পরিণাম) জানে।” 

(সূরা আলে-ইমরান: ১৩৫)

অন্যান্য সহীহ বর্ণনায় এসেছে এই দু’রাকাতের গুণাবলীর কথা যা গুনাহ মাফের কারণ হবে তার সংক্ষিপ্ত বিবরণ:
(1) যে কেউ সুন্দরভাবে অযু করে তার সগীরা গুনাহ মাফ করে দেয়া হয় (কেননা অযু করলে ধৌত অঙ্গপ্রত্যঙ্গের সগীরা পাপ পানির সাথে অথবা পানির শেষ বিন্দুর সাথে ঝরে পড়ে)
আর উত্তমভাবে অযু হলো: প্রথমে বিসমিল্লাহ বলে শুরু করা এবং শেষে এ দু’আ করা:

আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকালাহু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাসুলুহু”
“আমি সাক্ষ্য দিচিছ যে, আল্লাহ ব্যতীত কোন সত্য মাবুদ নেই। তিনি একক তাঁর কোন শরীক নেই এবং আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ তাঁর বান্দা ও রাসূল।
হে আল্লাহ! আমাকে তাওবাকারীদের এবং পবিত্রতা অর্জনকারী ব্যাক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করুন। হে আল্লাহ! আপনার স্তুতির সাথেই আমি আপনার প্রশংসা করছি। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আপনি ব্যতীত কোন সত্য মাবুদ নেই। আমি আপনার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করছি এবং আপনার নিকট তাওবা করছি।”

(2) এতে মনে মনে কোন কথা বলা যাবে না।
(3) এতে একাগ্রতা ও বিনয়ীভাব আনতে হবে।
(4) এরপর ক্ষমা প্রার্থনা করতে হবে।

পূর্বোক্ত কাজের ফলাফল:
(a) পূর্বের সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হবে।
(b) জান্নাত অবধারিত হয়ে যাবে। (সহীহ আততারগীব ১/৯৪-৯৫)

(c) বেশী বেশী নেকী ও সৎকর্ম করা।
আপনি সহীহ হাদীসে উল্লিখিত এই উদাহরণটি ভালভাবে চিন্তা করে দেখুন! রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন:
“ঐ ব্যক্তির উদাহরণ হলো, যে খারাপ কাজ করে সে সেই ব্যক্তির মত যার গায়ে খুব আটোসাটো লৌহবর্ম চাপান আছে যা তাকে চেপে ধরে রেখেছে, অতঃপর সে একটি নেক কাজ করলে একটি আংটা খুলে গেল, অতঃপর আরেকটি নেক কাজ করলে আরেকটি আংটা খুলে গেল, এভাবে সব খুলে মাটিতে পড়ে যায়”।

(মুসনাদে আহমাদ, তাবারানী)

সুতরাং নেকী পাপীকে গুনাহের বন্দীখানা থেকে মুক্ত করে তাকে আনুগত্যের প্রশস্ত ময়দানে বের করে নিয়ে আসে। প্রিয় ভাই! নিচের ঘটনা আপনাকে বিষয়টি আরো পরিষ্কার করে দিবে।
হযরত ইবনে মাসউদ রাযিআল্লাহু তা’আলা আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট এসে বলে,
হে আল্লাহর রাসূল! আমি এক মহিলাকে বাগানের ভিতর একাকী পেয়ে সব কিছুই করেছি কিন্তু সহবাস করিনি। চুমা খেয়েছি, তাকে চেপে ধরেছি, এছাড়া আর কিছু করিনি। এখন আপনি আমার ব্যাপারে যা ইচ্ছা করতে পারেন। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে কিছু বললেন না, সুতরাং লোকটি চলে গেল। অতঃপর হযরত উমর রাযিআল্লাহু তা’আলা আনহু বলেন, আল্লাহ লোকটির অবস্থা গোপন রেখেছিলেন যদি সে নিজের কথা গোপন রাখত। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম চোখ তুলে তাকালেন এবং বললেন, ওকে আমার কাছে নিয়ে এসো।
যখন তাকে ডেকে নিয়ে আসা হলো তখন তাকে এ আয়াত পাঠ করে শুনালেন:

“আপনি নামাজ প্রতিষ্ঠা করুন দিনের দুই প্রান্তে এবং রাতের একটি অংশে। নিশ্চয়ই নেকী গুনাহকে মিটিয়ে দেয়। এটি হলো উপদেশ, উপদেশ গ্রহণকারীদের জন্য।” (সূরা হুদ: ১১৪)

মুয়ায রাযিআল্লাহু তা’আলা আনহু বলেন, অপর বর্ণনায় এসেছে হযরত উমার থেকে তিনি বললেন: হে আল্লাহর রাসুল! এটি কি তার একার জন্য না সকল মানুষের জন্য? তখন তিনি বললেন, বরং সমস্ত মানুষের জন্য। (মুসলিম)

Source: সরলপথ

আমি তাওবা করতে চাই কিন্তু?????Ans

*সমস্ত প্রশংসা একমাত্র আল্লাহর জন্য। আমরা তাঁর প্রশংসা করছি এবং তাঁরই কাছে সাহায্য চাচ্ছি। আল্লাহ তা’আলা যাকে হেদায়াত দান করেন তাকে কেউ পথভ্রষ্ট করতে পারেনা। আর তিনি যাকে পথভ্রষ্ট করেন তাকে কেউ পথ দেখাতে পারে না। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ব্যতীত কোন সত্য ইলাহ নেই। তিনি একক এবং তাঁর কোন শরীক নেই এবং আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর বান্দা ও রাসূল। অতঃপর: মহান আল্লাহ সমস্ত মুমিনদেরকে তাওবা করার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন:

হে মুমিনগণ! তোমরা সকলে আল্লাহর পানে তাওবা (প্রত্যাবর্তন) কর, নিশ্চয় তোমরা সফলকাম হবে।” (আননূর: ৩১)


তিনি তাঁর বান্দাদেরকে তাওবাকারী ও অত্যাচারী হিসেবে ভাগ করেছেন। এখানে তৃতীয় কোন ভাগ নেই। মহান আল্লাহ বলেন:

যারা তাওবা করবে না, তারাই অত্যাচারী।” (আলহুজুরাত: ১১)

আর এখন এমন এক সময় এসেছে যাতে মানুষ আল্লাহর দ্বীন থেকে দূরে সরে গেছে এবং পাপাচার ব্যাপকতা লাভ করছে ও বিপর্যয় ছড়িয়ে পড়েছে। অবস্থা এমন হয়েছে যে, এ থেকে কেউই বাঁচতে পারছে না আল্লাহর বিশেষ রহমত ছাড়া।
আল্লাহর বিশেষ ইচ্ছা এই যে, তিনি তাঁর নূরকে অবশ্যই পূর্ণতা দান করবেন, যার ফলে অনেক লোকই তাদের গাফলতী ও তন্দ্রা থেকে জেগে উঠেছে। তারা বুঝতে পেরেছে যে, তারা আল্লাহর হকের ব্যাপারে কার্পণ্য করেছে, তার অবাধ্যতার জন্য অনুতপ্ত, যার ফলে তারা তাওবার দিকে এগিয়ে এসেছে। অন্যরা এই বিষাক্ত জীবনের ব্যাপারে বিতশ্রদ্ধ হয়ে উঠেছে। তারা পথ খুঁজছে অন্ধকার থেকে আলোর দিকে বের হয়ে আসার জন্য। কিন্তু তাদের সামনে বাধা হয়ে উঠেছে কিছু প্রতিবন্ধকতা যা তাদের মাঝে ও তাওবার মাঝে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। এসব প্রতিবন্ধকতার মধ্যে কিছু হলো মনের মধ্যে, আর কিছু হলো তার চতুর্পাশে। আমি এ পুস্তিকা রচনা করেছি এ আশা করে যে, এসব বিষয় পরিষ্কার করা ও এর হুকুম স্পষ্ট করে বর্ণনা করার লক্ষ্যে এবং শয়তানকে বিতাড়িত করার উদ্দেশ্যে।
এ নিবন্ধে একটি ভূমিকা থাকবে গুনাহকে তুচ্ছজ্ঞান করার ভয়াবহতা সম্পর্কে, এরপর তাওবার শর্তাবলীর ব্যাখ্যা ও তার মানসিক চিকিৎসা সম্পর্কে। এরপর থাকবে তাওবা সম্পর্কে ফাত্ওয়া, দলীল প্রমাণসহ কুরআন, হাদীস এবং আহলুল ইলমের অভিমত। পরিশেষে থাকবে একটি উপসংহার। আল্লাহর নিকট দু’আ করি, তিনি যেন আমাকে এবং আমার ভাই-বোনদেরকে এ থেকে নসিহত ও উত্তম দাওয়াত গ্রহণ করার তাওফীক দান করেন এবং আমাদের সকলের তাওবা কবুল করেন।


Source: সরলপথ

ইসলাম

ইসলাম


ইসলাম (আরবি ভাষায়: الإسلام আল্‌-ইসলাম্‌) একটি একেশ্বরবাদী ধর্ম। "ইসলাম" শব্দের অর্থ "আত্মসমর্পণ", বা একক স্রষ্টার নিকট নিজেকে সমর্পন। অনেকের ধারণা যেমুহাম্মদ (সাঃ) হলেন এই ধর্মের প্রবর্ত। তবে মুসলমা্নদে্ মতে, তিনি এই ধর্মের প্রবর্তক নন, বরং তিনি হলেন আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রেরিত সর্বশেষ ও চূড়ান্ত রাসূল (পয়গম্বর)। খ্রিস্টিয় সপ্তম শতকে তিনি এই ধর্ম প্রচার করেন। কুরআন ইসলামের মূল ধর্মগ্রন্থ। এই ধর্মে বিশ্বাসীদের মুসলমান বা মুসলিম বলা হয়। কুরআন আল্লাহর বাণী এবং তার কর্তৃক মুহাম্মদের নিকট প্রেরিত বলে মুসলমানরা বিশ্বাস করেন। তাদের বিশ্বাস অনুসারে মুহাম্মদ শেষ নবী। হাদিসে প্রাপ্ত তাঁর নির্দেশিত কাজ ও শিক্ষার ভিত্তিতে কুরআনকে ব্যাখ্যা করা হয়।
ইহুদি  খ্রিস্ট ধর্মের ন্যায় ইসলাম ধর্মও আব্রাহামীয়[১] মুসলমানের সংখ্যা আনুমানিক ১৪০ কোটি ও তারা পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মাবলম্বী গোষ্ঠী[২] মুহাম্মদ (সাঃ) ও তার উত্তরসূরীদের প্রচার ও যুদ্ধ জয়ের ফলশ্রুতিতে ইসলাম দ্রুত বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে।[৩] বর্তমানে সমগ্র বিশ্ব জুড়ে, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য, উত্তর আফ্রিকা, দক্ষিণ এশিয়া, মধ্য এশিয়া, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় মুসলমানরা বাস করেন। আরবে এ ধর্মের গোড়া পত্তন হলেও অধিকাংশ মুসলমান অনারব এবং আরব দেশের মুসলমানরা মোট মুসলমান সংখ্যার শতকরা মাত্র ২০ বিশভাগ।[৪] যুক্তরাজ্যসহ বেশ কিছু ইউরোপীয় দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্ম ইসলাম।[৫][৬]

Reading the Quran

Reading the Quran

asalaam aleykum;

وَالْأَرْضَ مَدَدْنَاهَا وَأَلْقَيْنَا فِيهَا رَوَاسِيَ وَأَنْبَتْنَا فِيهَا مِنْ كُلِّ شَيْءٍ مَوْزُونٍ ﴿15:19﴾ (15:19) We stretched forth the Earth, and set mountains firmly upon it, and caused to grow therein every kind of vegetable in balanced measure. *13
-----------------means---------
*13 The growth of every kind of plant in a limited extent is another Sign of the wisdom and power of Allah. For the generative power of every vegetable plant is so great that if free growth had been allowed to even one kind of plant, it would have covered the whole surface of the Earth. But it is by the design of the All-Wise and All-Powerful Creator that every kind of vegetable is produced in a balanced measure. There is another aspect of the vegetable life. Each and every kind of it is allowed to grow only to a fixed size, height, and thickness, which is a proof of the fact that the Creator himself prescribed the structure, the shape, the size, the height, the leaves and branches, and the number of each and every plant, and no plant is allowed to go beyond any of these fixed limits.