প্রতি
বছরের মতো এ বছরও এক দিন পরই রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের বার্তা নিয়ে
আসছে মাহে রমজান। মুমিনের আত্মাকে আল্লাহ তায়ালা ধুয়েমুছে পাকসাফ করে তার
রঙে রঙিন করে তুলবেন। আর যারা খোদাপ্রেমিক তাদেরও অপেক্ষার প্রহর শেষ
হচ্ছে না। তারা শুধুই ভাবছেন, কোন দিন থেকে শুরু হবে রমজান এবং তারা
নিজেদেরকে পূতপবিত্র করে গড়ে তুলবেন। তাদের আখলাককে উন্নততর, মহত্তর,
পবিত্রতর করে ইহকাল ও পরকালের কল্যাণ সাধন করবেন। পরম করুণাময়ের
সন্তুষ্টির জন্য গরিবের প্রতি সহমর্মী, ধৈর্যশীল ও সহনশীল হবেন। চারিত্রিক
গুণাবলি আরো শাণিত করবেন। সিয়াম সাধনার কঠোর সংযমের সিঁড়ি বেয়ে
পরহেজগারির শীর্ষ চূড়ায় আরোহণ করবেন।
সিয়াম সাধনার মাধ্যমে বান্দা আল্লাহর সাথে গভীর সম্পর্ক গড়ে তুলবেন, বান্দা থেকে বন্ধু হবেন এবং সমাজের অন্যজনকে আত্মসংযমী ও আত্মশুদ্ধিতে উদ্বুদ্ধ করে সমাজকে কলুষমুক্ত করবেন। মহান জগৎ-সংসারের মালিক আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনে ঘোষণা করেছেন, ‘হে ঈমানদারেরা! তোমাদের প্রতি রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেমনিভাবে ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর। আর এ জন্য ফরজ করা হয়েছে, যাতে তোমরা তাকওয়া হাসিল করতে সক্ষম হও।’ (সূরা বাকারা : ১৮৩)।
সিয়াম সাধনার মাধ্যমে বান্দা আল্লাহর সাথে গভীর সম্পর্ক গড়ে তুলবেন, বান্দা থেকে বন্ধু হবেন এবং সমাজের অন্যজনকে আত্মসংযমী ও আত্মশুদ্ধিতে উদ্বুদ্ধ করে সমাজকে কলুষমুক্ত করবেন। মহান জগৎ-সংসারের মালিক আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনে ঘোষণা করেছেন, ‘হে ঈমানদারেরা! তোমাদের প্রতি রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেমনিভাবে ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর। আর এ জন্য ফরজ করা হয়েছে, যাতে তোমরা তাকওয়া হাসিল করতে সক্ষম হও।’ (সূরা বাকারা : ১৮৩)।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন